কলকাতায় তৃণমূলের অফিস ও মাংসের দোকানে হামলা বিজেপির
পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার ঐতিহাসিক নিউ মার্কেট এলাকায় বুলডোজার দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস ও মাংসের দোকানে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৬ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ মার্কেট এলাকায় কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার সময় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। পাশাপাশি কিছু ভিডিওতে বিজেপির পতাকা হাতে কয়েকজনকে বুলডোজারের ওপর দাঁড়িয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
হামলার পর নিউ মার্কেট এলাকার বহু দোকানদার দোকান বন্ধ করে দেন। ব্রিটিশ আমলের এই বাজারটি কলকাতার অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাবসা করে আসছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, পুলিশি অনুমতি নিয়েই বিজয় উদযাপনের নামে নিউ মার্কেট এলাকায় কিছু দোকান ভাঙা হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে বিজেপির কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন।
পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার ঐতিহাসিক নিউ মার্কেট এলাকায় বুলডোজার দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস ও মাংসের দোকানে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৬ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ মার্কেট এলাকায় কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার সময় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেছে। পাশাপাশি কিছু ভিডিওতে বিজেপির পতাকা হাতে কয়েকজনকে বুলডোজারের ওপর দাঁড়িয়ে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
হামলার পর নিউ মার্কেট এলাকার বহু দোকানদার দোকান বন্ধ করে দেন। ব্রিটিশ আমলের এই বাজারটি কলকাতার অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাবসা করে আসছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, পুলিশি অনুমতি নিয়েই বিজয় উদযাপনের নামে নিউ মার্কেট এলাকায় কিছু দোকান ভাঙা হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে বিজেপির কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সামিক ভট্টাচার্য দলের কর্মীদের প্রতি সহিংসতা বা ভাঙচুরে জড়িত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতা দল সমর্থন করবে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সময়ে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ এলাকায় একটি পৃথক ঘটনায় বামপন্থি নেতা ভ্লাদিমির লেনিনের একটি পুরোনো মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ভিডিওতে কয়েকজনকে মূর্তিটি ভেঙে ফেলে দিতে দেখা যায়।
উল্লেখ্য, রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয় দখল ও ভাঙচুরের একাধিক অভিযোগ সামনে আসছে। বিভিন্ন ঘটনায় উভয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের হতাহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।