কলাবাগানে কিশোরের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাগুরা সদর উপজেলার দক্ষিণ মীরপাড়া এলাকায় সংঘটিত এক ‘ক্লুলেস’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।  নিহত সুমন মোল্যা (১৬) মাগুরা পৌরসভার মীরপাড়া এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে এবং পেশায় রিকশাচালক ছিল। গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন— মাগুরা সদর উপজেলার মীরপাড়া এলাকার মেহনাজ হোসেন জিহাদ (২৪), জুয়েল হোসেন (২৩), শাকিব শেখ (১৯), নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার তারিকুল ইসলাম (২৬) এবং মাগুরার কুকিলা গ্রামের হৃদয় হোসেন (২৮)। তিনি বলেন, নিহত সুমন মোল্যা পেশায় রিকশাচালক ছিল। মাত্র একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রাখা নিয়ে সুমনের সঙ্গে তারই পরিচিত ও ‘বন্ধু’ পরিচয়ধারী কয়েকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। গত ৩১ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুমনের মাথায় আঘাত করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে

কলাবাগানে কিশোরের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাগুরা সদর উপজেলার দক্ষিণ মীরপাড়া এলাকায় সংঘটিত এক ‘ক্লুলেস’ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।  নিহত সুমন মোল্যা (১৬) মাগুরা পৌরসভার মীরপাড়া এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে এবং পেশায় রিকশাচালক ছিল। গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন— মাগুরা সদর উপজেলার মীরপাড়া এলাকার মেহনাজ হোসেন জিহাদ (২৪), জুয়েল হোসেন (২৩), শাকিব শেখ (১৯), নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার তারিকুল ইসলাম (২৬) এবং মাগুরার কুকিলা গ্রামের হৃদয় হোসেন (২৮)। তিনি বলেন, নিহত সুমন মোল্যা পেশায় রিকশাচালক ছিল। মাত্র একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রাখা নিয়ে সুমনের সঙ্গে তারই পরিচিত ও ‘বন্ধু’ পরিচয়ধারী কয়েকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। গত ৩১ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুমনের মাথায় আঘাত করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার শ্বাসনালি কেটে দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ পাশের একটি কলাবাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। নিখোঁজ হওয়ার পর ২ এপ্রিল সুমনের পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরে ৩ এপ্রিল বিকেলে মীরপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘের সংলগ্ন কলাবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৪ এপ্রিল নিহতের দাদি জাহানারা বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, তদন্তে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারিকুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানানো হয়। জড়িতরা সবাই ভিকটিমের পরিচিত ও সমবয়সী ছিল। তিনি আরও বলেন, আসামিদের কেউ কেউ মাদকাসক্ত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow