কলেজের ভুলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না সুমাইয়ার

কলেজের অবহেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি সুমাইয়া আক্তার নামের এক পরীক্ষার্থী। নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা জমা দেওয়ার পরও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল থাকায় প্রবেশপত্র পাননি তিনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে কেন্দ্রে গিয়েও কান্নায় ভেঙে বাড়ি ফিরতে হয়েছে এই শিক্ষার্থীকে। সুমাইয়া আক্তার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ওবাইদুল হক বাবুর মেয়ে। তিনি চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরম পূরণের জন্য সুমাইয়ার কাছ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা নেয় চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর সময় তার রেজিস্ট্রেশন নম্বরে ভুল করে কলেজ প্রশাসন। ফলে যথাসময়ে তার প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। বিষয়টি জানতে পেরে সুমাইয়া ও তার পরিবার বারবার কলেজে যোগাযোগ করলেও কোনো কার্যকর সমাধান দেয়নি কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা কেন্দ্র সারিয়াকান্দি ডিগ্রি কলেজে গেলে প্রবেশপত্র না থাকায় হলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি সুমাইয়াকে। ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‌‌‘আমার বাবা নেই। ভাই অনেক কষ্ট করে আমার পড়াশোনার

কলেজের ভুলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না সুমাইয়ার

কলেজের অবহেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি সুমাইয়া আক্তার নামের এক পরীক্ষার্থী। নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা জমা দেওয়ার পরও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল থাকায় প্রবেশপত্র পাননি তিনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে কেন্দ্রে গিয়েও কান্নায় ভেঙে বাড়ি ফিরতে হয়েছে এই শিক্ষার্থীকে।

সুমাইয়া আক্তার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ওবাইদুল হক বাবুর মেয়ে। তিনি চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরম পূরণের জন্য সুমাইয়ার কাছ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা নেয় চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর সময় তার রেজিস্ট্রেশন নম্বরে ভুল করে কলেজ প্রশাসন। ফলে যথাসময়ে তার প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি। বিষয়টি জানতে পেরে সুমাইয়া ও তার পরিবার বারবার কলেজে যোগাযোগ করলেও কোনো কার্যকর সমাধান দেয়নি কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকালে পরীক্ষা কেন্দ্র সারিয়াকান্দি ডিগ্রি কলেজে গেলে প্রবেশপত্র না থাকায় হলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি সুমাইয়াকে।

ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‌‌‘আমার বাবা নেই। ভাই অনেক কষ্ট করে আমার পড়াশোনার খরচ চালান। আমার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে চিকিৎসক হবো। কিন্তু কলেজের একটা ভুলে আমার সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল। এখন আমার কী হবে, আমি কী করব বুঝতে পারছি না।’

স্থানীয় বাসিন্দা সুলতানা পারভীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন জটিলতা তৈরি হলে শিক্ষা বোর্ড বা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। কিন্তু সুমাইয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্রুত বিষয়টির সমাধান করে তার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলবি/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow