কাঁথা-বালিশ নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
নাটোরের নলডাঙ্গায় ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জাহিদুল ইসলাম। বুধবার (৮ জুলাই) সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার মাধনগর ৮নং ওর্য়াড বিএনপির কার্যালয়ে কাঁথা, বালিশ, তোশকসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বাঁশিলা গ্রামের মো. আক্কাস আলীর ছেলে। তিনি মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা যায়, সারাদিনের কাজ শেষ করে সেখানেই খাওয়া-দাওয়া করেন তিনি, ঘুমানও সেখানেই। ঝড়, রোদ, বৃষ্টি যা-ই হোক, সেখানেই থাকতে হচ্ছে তাকে। বিএনপি করে দীর্ঘ ১৭ বছরে নির্যাতনের শিকার এ নেতা হারিয়েছেন সংসার, পরিবারের আপনজন।
উপজেলার বাঁশিলা ৮ নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান সিরাজ, মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি রায়হান মিনা, ছাত্রদলের কর্মী শাকিল খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তারা বলেন, জাহিদুল ইসলাম ভাই খুবই অসহায় এবং দলপ্রেমী মানুষ। তিনি বাধ্য হয়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা চাই রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসন তার একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করে দেয়। এটা আমাদের প্রত্যাশা।
নির্যাতিত নেতা ও স্থানীয় কণ্ঠশিল্পী জাহি
নাটোরের নলডাঙ্গায় ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জাহিদুল ইসলাম। বুধবার (৮ জুলাই) সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার মাধনগর ৮নং ওর্য়াড বিএনপির কার্যালয়ে কাঁথা, বালিশ, তোশকসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বাঁশিলা গ্রামের মো. আক্কাস আলীর ছেলে। তিনি মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা যায়, সারাদিনের কাজ শেষ করে সেখানেই খাওয়া-দাওয়া করেন তিনি, ঘুমানও সেখানেই। ঝড়, রোদ, বৃষ্টি যা-ই হোক, সেখানেই থাকতে হচ্ছে তাকে। বিএনপি করে দীর্ঘ ১৭ বছরে নির্যাতনের শিকার এ নেতা হারিয়েছেন সংসার, পরিবারের আপনজন।
উপজেলার বাঁশিলা ৮ নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান সিরাজ, মাধনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি রায়হান মিনা, ছাত্রদলের কর্মী শাকিল খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তারা বলেন, জাহিদুল ইসলাম ভাই খুবই অসহায় এবং দলপ্রেমী মানুষ। তিনি বাধ্য হয়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। আমরা চাই রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসন তার একটি স্থায়ী ব্যবস্থা করে দেয়। এটা আমাদের প্রত্যাশা।
নির্যাতিত নেতা ও স্থানীয় কণ্ঠশিল্পী জাহিদুল ইসলাম অমি বলেন, বছরের পর বছর আমি অন্যের বাড়িতে আশ্রয় থেকেছি। কতদিন আর থাকা যায়। বিএনপির রাজনীতি করার কারণে হারিয়েছি পরিবার। ছেড়ে গেছে স্ত্রী-সন্তান ও পিতা।
তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক অভিভাবক খোঁজ নেননি, কেউ কথা দিয়ে কথা রাখেনি। রাজনৈতিক নেতা ও সরকার প্রধানের কাছে আমার দাবি, জীবনে চলার মতো তারা যেন একটা ব্যবস্থা করে দেন।