কাউন্সিলর প্রার্থী মিথুনের উদ্যোগে মিরপুরে ড্রেনলাইন সচল
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মীর ইমরান হোসেন মিথুনের উদ্যোগে ওয়ার্ডের অন্তর্গত নিউ কুর্মিটোলা ক্যাম্প, আবাসন ক্যাম্প ও বেগুনটিলা বস্তি এলাকার কয়েকটি ড্রেনলাইন সচল হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি সরেজমিনে এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ড্রেনেজ সমস্যা ও ড্রেনগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ময়লা অপসারণ ও ড্রেনলাইন সচল করার ব্যবস্থা করেন। এ সময় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মিথুন এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। যেন কেউ ড্রেনে ময়লা না ফেলে এবং নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করে। একই সঙ্গে তিনি একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। নিউ কুর্মিটোলা ক্যাম্প, আবাসন ক্যাম্প ও বেগুনটিলা বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ড্রেনেজ সমস্যার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন। ড্রেনে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মীর ইমরান হোসেন মিথুনের উদ্যোগে ওয়ার্ডের অন্তর্গত নিউ কুর্মিটোলা ক্যাম্প, আবাসন ক্যাম্প ও বেগুনটিলা বস্তি এলাকার কয়েকটি ড্রেনলাইন সচল হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি সরেজমিনে এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ড্রেনেজ সমস্যা ও ড্রেনগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ময়লা অপসারণ ও ড্রেনলাইন সচল করার ব্যবস্থা করেন।
এ সময় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মিথুন এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। যেন কেউ ড্রেনে ময়লা না ফেলে এবং নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করে।
একই সঙ্গে তিনি একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
নিউ কুর্মিটোলা ক্যাম্প, আবাসন ক্যাম্প ও বেগুনটিলা বস্তি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ড্রেনেজ সমস্যার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন। ড্রেনে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার ফলে ড্রেনলাইন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়, যার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল।
এতে করে সামান্য বৃষ্টি বা দৈনন্দিন ব্যবহারের পানিতেই রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে থাকে।
What's Your Reaction?