কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলীকে মারধর, চট্টগ্রামে গ্রেফতার ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়কের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-৯ এর যৌথ দল তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তি মো. বিল্লাল হোসেন (৫৫) এ মামলার এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি। র‌্যাব জানায়, গত ১৩ এপ্রিল দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মেরকুটা জিসি থেকে শিবপুর আঞ্চলিক সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তারিকুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহকর্মী। পরিদর্শনের সময় সড়কের কাজ নিম্নমানের মনে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান তারা। আরও পড়ুনকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার অভিযোগ রয়েছে, এসময় ঠিকাদার মো. লোকমান হোসেন ও তার সহযোগীরা সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হন। লাঠি ও ইট দিয়ে হামলা চালিয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী ও তার সহকর্মীদের আহত করা হয়। ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তারিকুল ইসল

কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলীকে মারধর, চট্টগ্রামে গ্রেফতার ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়কের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-৯ এর যৌথ দল তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ব্যক্তি মো. বিল্লাল হোসেন (৫৫) এ মামলার এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি।

র‌্যাব জানায়, গত ১৩ এপ্রিল দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মেরকুটা জিসি থেকে শিবপুর আঞ্চলিক সড়কের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তারিকুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহকর্মী। পরিদর্শনের সময় সড়কের কাজ নিম্নমানের মনে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান তারা।

আরও পড়ুন
কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করলেন ঠিকাদার

অভিযোগ রয়েছে, এসময় ঠিকাদার মো. লোকমান হোসেন ও তার সহযোগীরা সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হন। লাঠি ও ইট দিয়ে হামলা চালিয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী ও তার সহকর্মীদের আহত করা হয়। ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

এ ঘটনায় উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নবীনগর থানায় মামলা করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ আনা হয়।

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ঘটনার পর থেকে বিল্লাল হোসেন আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। পরে নগরের কোতোয়ালি থানার কাজীর দেউড়ি এলাকার নুর আহমদ সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার বিল্লাল হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে চান্দগাঁও থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow