কানাডায় নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ পৌঁছল চট্টগ্রামে
কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেধাবী ছাত্র মো. ইস্তিনাব মাহিরের (২৩) লাশ তার চট্টগ্রামের নিজ বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।
বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর প্রদেশ থেকে ঢাকায় আসে। হজরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বুঝে নেন।
মাহির চাচাতো ভাই মো. মাহমুদ রায়হান বলেন, মরদেহ বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা পরিবারের সদস্যরা মঙ্গলবার দুপুরেই ঢাকার উদ্দ্যেশে রওনা করেছি। রাতে মরদেহ বুঝে পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম নিয়ে আসি।
বৃহস্পতিবার বাদ আসর হালিশহর বিডিআর মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে দাফন করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর প্রদেশের সেন্ট জনস শহরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মো. ইস্তিনাব মাহি নিহত হয়েছিলেন। স্থানীয় সময় ভোর রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহি চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এবং সেখানে উচ্চশিক্ষা লাভে অবস্থান করছিলেন।
কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেধাবী ছাত্র মো. ইস্তিনাব মাহিরের (২৩) লাশ তার চট্টগ্রামের নিজ বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।
বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাত ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর প্রদেশ থেকে ঢাকায় আসে। হজরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বুঝে নেন।
মাহির চাচাতো ভাই মো. মাহমুদ রায়হান বলেন, মরদেহ বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা পরিবারের সদস্যরা মঙ্গলবার দুপুরেই ঢাকার উদ্দ্যেশে রওনা করেছি। রাতে মরদেহ বুঝে পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম নিয়ে আসি।
বৃহস্পতিবার বাদ আসর হালিশহর বিডিআর মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে দাফন করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর প্রদেশের সেন্ট জনস শহরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মো. ইস্তিনাব মাহি নিহত হয়েছিলেন। স্থানীয় সময় ভোর রাত দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহি চট্টগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এবং সেখানে উচ্চশিক্ষা লাভে অবস্থান করছিলেন।