কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- ১‘র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুনানির শুরুতে মামলার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। পরে প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। এর আগে গত ১৭ জুন এ কার্যক্রম হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নতুন করে আজকের দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। প্রসিকিউশনের আনা তিন অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন কামরুল ও মেনন। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসেবে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে মারণা
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- ১‘র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুনানির শুরুতে মামলার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। পরে প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। এর আগে গত ১৭ জুন এ কার্যক্রম হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নতুন করে আজকের দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
প্রসিকিউশনের আনা তিন অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন কামরুল ও মেনন। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসেবে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির পক্ষে ভূমিকা রাখেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তাদের ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও প্ররোচনায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় অন্তত ২৩ জন নিহত এবং আহত হন আরও বহু মানুষ।
What's Your Reaction?