কারাগারে মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার

নিজের ভাইকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ম্যাথু হার্টজেন ৩২ বছর বয়সে কারাগারে মারা গেছেন। সাবেক এই প্রিন্সটন ফুটবলারকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন কারাগারে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিজের ছোট ভাই জোসেফ হার্টজেনকে গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুর ঘটনায় আদালত তিন মাস আগে রায় দিয়েছিল যে, তিনি আইনিভাবে দায়ী নন। কারণ, তিনি গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। বিচারক তার ভবিষ্যত কারাবাস নির্ধারণের জন্য মে মাসে একটি শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। ফরেনসিক মনোবিজ্ঞানী ড. জিয়ানি পিরেলি আদালতকে জানান, ম্যাথু হার্টজেন দীর্ঘদিন ধরে ক্রমবর্ধমান মানসিক বিভ্রান্তি ও সাইকোটিক আচরণে ভুগছিলেন। তিনি ধর্মীয় ও প্রলয়সংক্রান্ত বিভ্রমে আক্রান্ত ছিলেন এবং কখনও নিজেকে ঈশ্বর, কখনও অ্যান্টিক্রাইস্ট মনে করতেন। এমনকি পৃথিবীকে রক্ষার জন্য ‘বলিদানমূলক হত্যা’ প্রয়োজন বলেও বিশ্বাস করতেন। তার মৃত্যু আত্মহত্যা হতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আত্মহত্যার সন্দেহটি সামনে আসার মূল কারণ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তারের এক সপ্তাহ পরও তিনি আত্মহত্যা

কারাগারে মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার

নিজের ভাইকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ম্যাথু হার্টজেন ৩২ বছর বয়সে কারাগারে মারা গেছেন। সাবেক এই প্রিন্সটন ফুটবলারকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন কারাগারে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

নিজের ছোট ভাই জোসেফ হার্টজেনকে গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুর ঘটনায় আদালত তিন মাস আগে রায় দিয়েছিল যে, তিনি আইনিভাবে দায়ী নন। কারণ, তিনি গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

বিচারক তার ভবিষ্যত কারাবাস নির্ধারণের জন্য মে মাসে একটি শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।

ফরেনসিক মনোবিজ্ঞানী ড. জিয়ানি পিরেলি আদালতকে জানান, ম্যাথু হার্টজেন দীর্ঘদিন ধরে ক্রমবর্ধমান মানসিক বিভ্রান্তি ও সাইকোটিক আচরণে ভুগছিলেন। তিনি ধর্মীয় ও প্রলয়সংক্রান্ত বিভ্রমে আক্রান্ত ছিলেন এবং কখনও নিজেকে ঈশ্বর, কখনও অ্যান্টিক্রাইস্ট মনে করতেন। এমনকি পৃথিবীকে রক্ষার জন্য ‘বলিদানমূলক হত্যা’ প্রয়োজন বলেও বিশ্বাস করতেন।

তার মৃত্যু আত্মহত্যা হতে পারে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

আত্মহত্যার সন্দেহটি সামনে আসার মূল কারণ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তারের এক সপ্তাহ পরও তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

পরিবারের প্রকাশিত শোকবার্তায় বলা হয়েছে, ‘জীবনের শেষ বছরগুলোতে ম্যাথু গুরুতর মানসিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেছেন। তবে তিনি নানা উপায়ে নিজের কষ্ট, অনুশোচনা ও অনুতাপ প্রকাশ করেছিলেন। পরিবারের ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও ক্ষমার মধ্যেই তিনি পৃথিবী ছেড়ে গেছেন। শান্তিতে থাকুন।’

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow