কারাগারে মৃত ছাত্রলীগ নেতার দাফন সম্পন্ন

কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম খানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।  জানা যায়, পটুয়াখালী কারাগারে বন্দি শফিকুল ইসলাম খান শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় কারা কর্তৃপক্ষ প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শনিবার সকল আইনি কার্যক্রম শেষে বরিশাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেলা ১টার দিকে মরদেহের ছাড়পত্র দেন। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেল ৪টায় স্বজনরা মরদেহ নিয়ে নিজ উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়িতে পৌঁছান। সেখানে বিকেলে তার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পটুয়াখালী জেলা কারাগারের নিয়োজিত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়া বলেন, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে ঢাক

কারাগারে মৃত ছাত্রলীগ নেতার দাফন সম্পন্ন

কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম খানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।


শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। 
জানা যায়, পটুয়াখালী কারাগারে বন্দি শফিকুল ইসলাম খান শুক্রবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় কারা কর্তৃপক্ষ প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

শনিবার সকল আইনি কার্যক্রম শেষে বরিশাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেলা ১টার দিকে মরদেহের ছাড়পত্র দেন।

এরপর ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেল ৪টায় স্বজনরা মরদেহ নিয়ে নিজ উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়িতে পৌঁছান। সেখানে বিকেলে তার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পটুয়াখালী জেলা কারাগারের নিয়োজিত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়া বলেন, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে পুনরায় পটুয়াখালীতে আনা হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।


গত বছরের ১১ আগস্ট তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা ছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow