কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর জিয়া বাহিনীর দুই সদস্য গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে বৃদ্ধার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, গুলিবর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় আলোচিত ‘জিয়া বাহিনী’র দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৫ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে সদরের চৌফলদন্ডীর ৩ ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় আনোয়ারা বেগমের (৬০) বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।  গ্রেপ্তাররা হলেন- জাফর আলম ও আমির সোলতান।  জানা যায়,  গত ৫ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে সদরের চৌফলদন্ডীর ৩ ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় আনোয়ারা বেগমের বাগিতে হামলা করে ‘জিয়া বাহিনী’র সদস্যরা। এ সময় বাধার মুখে পড়লে হামলাকারীরা গুলি ছোড়ে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাণ্ডব চালায়। এতে বৃদ্ধাসহ ৩ জন আহত হয়। তাদের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের জাকির আহমেদ বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনা নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক কালবেলা। সংবাদ প্রকাশের পর প্রসাশন তৎপর হয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।   ভুক্তভোগী জাকির আহমেদ বলেন, জিয়া বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তারা অন্যায় ভাবে আমার পরিবারের উ

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর জিয়া বাহিনীর দুই সদস্য গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে বৃদ্ধার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, গুলিবর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনায় আলোচিত ‘জিয়া বাহিনী’র দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৫ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে সদরের চৌফলদন্ডীর ৩ ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় আনোয়ারা বেগমের (৬০) বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। 

গ্রেপ্তাররা হলেন- জাফর আলম ও আমির সোলতান। 

জানা যায়,  গত ৫ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে সদরের চৌফলদন্ডীর ৩ ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় আনোয়ারা বেগমের বাগিতে হামলা করে ‘জিয়া বাহিনী’র সদস্যরা। এ সময় বাধার মুখে পড়লে হামলাকারীরা গুলি ছোড়ে এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাণ্ডব চালায়। এতে বৃদ্ধাসহ ৩ জন আহত হয়। তাদের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের জাকির আহমেদ বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনা নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক কালবেলা। সংবাদ প্রকাশের পর প্রসাশন তৎপর হয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।  

ভুক্তভোগী জাকির আহমেদ বলেন, জিয়া বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তারা অন্যায় ভাবে আমার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে বেশ কয়জনকে আহত করে।  জিয়াউল হক জিয়ার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আমল থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী কায়দায় নিরীহ মানুষদের জমি, মৎস্য প্রজেক্ট দখলসহ ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধ করে আসছিল। তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও জিয়াকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, জিয়া বাহিনীর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বাড়িতে এসে গুলি চালিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু প্রতিকার চাই। সকলকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।

আরেক ভুক্তভোগী মুরশিদা আক্তার জানিয়েছেন, ডজন খানেক মামলার আসামি ও আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হাসান জিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কেউ এতদিন মুখ খুলতে পারেনি। তাদের প্রভাব বজায় রয়েছে। তাকে এখনও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা থাকার পরও অভিযুক্তরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং অস্ত্র মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন কালবেলাকে জানান, হামলার ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে প্রশাসন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow