কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে ইউএনও
জাতীয় দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘মারাত্মক দূষণে বিপর্যস্ত রামুর বাঁকখালী নদী’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বাঁকখালী নদীর দূষণপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে তিনি উপজেলার ফকিরা বাজারের পূর্বপাশের বাঁশবাজার, হাইটুপী হিন্দু শ্মশানঘাট এবং ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এসময় নদীর তীরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং বর্জ্য ফেলার বিভিন্ন চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এসময় স্থানীয়রা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও বসতবাড়ির বর্জ্য ফেলার বিষয়ে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন।
ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান বলেন, আজ সরেজমিনে এসে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। বাঁকখালী নদী রামুর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। নদী দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, বাজার কমিটি ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে
জাতীয় দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘মারাত্মক দূষণে বিপর্যস্ত রামুর বাঁকখালী নদী’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বাঁকখালী নদীর দূষণপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে তিনি উপজেলার ফকিরা বাজারের পূর্বপাশের বাঁশবাজার, হাইটুপী হিন্দু শ্মশানঘাট এবং ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এসময় নদীর তীরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং বর্জ্য ফেলার বিভিন্ন চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এসময় স্থানীয়রা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও বসতবাড়ির বর্জ্য ফেলার বিষয়ে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন।
ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান বলেন, আজ সরেজমিনে এসে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। বাঁকখালী নদী রামুর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। নদী দূষণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, বাজার কমিটি ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে ইউএনওর আকস্মিক পরিদর্শনকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসনের সক্রিয় উদ্যোগের মাধ্যমে বাঁকখালী নদীকে দূষণমুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার কালবেলাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে ময়লা-আবর্জনা ফেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয় এবং প্রশাসনের নজরে আসে বিষয়টি।