কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর শয্যাশায়ী জাহেরা বেগমের পাশে ইউএনও
নেত্রকোণা সদর উপজেলার সাতপাই রেল কলোনির শয্যাশায়ী বৃদ্ধা জাহেরা বেগমের অসহায় জীবনের সংবাদ প্রকাশের পর তার পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ১১ জুন কালবেলায় ‘খাবার মিললে খান, না মিললে অনাহারে থাকেন জাহেরা বেগম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর গতকাল শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোণা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী জাহেরা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি জাহেরা বেগমের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি তার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। জাহেরা বেগমের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানাই। জাহেরা বেগমের চিকিৎসা ও জীবনযাপনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, প্রায় ৯০ বছর বয়সী জাহেরা বেগম স্বামী ও দুই সন্তানকে হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপ
নেত্রকোণা সদর উপজেলার সাতপাই রেল কলোনির শয্যাশায়ী বৃদ্ধা জাহেরা বেগমের অসহায় জীবনের সংবাদ প্রকাশের পর তার পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
গত ১১ জুন কালবেলায় ‘খাবার মিললে খান, না মিললে অনাহারে থাকেন জাহেরা বেগম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর গতকাল শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোণা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী জাহেরা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি জাহেরা বেগমের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি তার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। জাহেরা বেগমের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানাই। জাহেরা বেগমের চিকিৎসা ও জীবনযাপনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রায় ৯০ বছর বয়সী জাহেরা বেগম স্বামী ও দুই সন্তানকে হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও আর্থিক সংকটের কারণে তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় রয়েছেন। তার অসহায় জীবনের চিত্র তুলে ধরে প্রকাশিত সংবাদটি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
What's Your Reaction?