কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ: জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেলেন ২ শতাধিক উদ্যোক্তা
কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর অবসান হলো বরিশাল শিল্প ও বাণিজ্য মেলার দুই শতাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার জিম্মিদশার। বরিশাল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সরাসরি হস্তক্ষেপে অবশেষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মেলাস্থল ত্যাগ করার অনুমতি ও ছাড়পত্র পেয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। এজন্য কালবেলাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রায় ১২ দিন পর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারকেও। এর আগে, ১৫ জুলাই ‘দৈনিক কালবেলা অনলাইনে এবং বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় ‘বরিশালে বাণিজ্য মেলা শেষে জিম্মি ২ শতাধিক উদ্যোক্তা’ শিরোনামে পৃথক সংবাদ প্রকাশ হয়। মেলায় অংশ নেওয়া মামুনুল ইসলাম, সাগরসহ অন্য উদ্যোক্তারা জানান, গত ২৬ জুন মেলার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি টাকা আদায়ের জন্য তাদের মালামাল আটকে রাখেন আয়োজকরা। এর প্রতিবাদ করায় বুধবার চার উদ্যোক্তাকে মারধর করেন মেলা কমিটির লোকেরা। পরে পালিয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এতেই টনক নড়ে
কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর অবসান হলো বরিশাল শিল্প ও বাণিজ্য মেলার দুই শতাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার জিম্মিদশার। বরিশাল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সরাসরি হস্তক্ষেপে অবশেষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় মেলাস্থল ত্যাগ করার অনুমতি ও ছাড়পত্র পেয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।
এজন্য কালবেলাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রায় ১২ দিন পর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারকেও।
এর আগে, ১৫ জুলাই ‘দৈনিক কালবেলা অনলাইনে এবং বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় ‘বরিশালে বাণিজ্য মেলা শেষে জিম্মি ২ শতাধিক উদ্যোক্তা’ শিরোনামে পৃথক সংবাদ প্রকাশ হয়।
মেলায় অংশ নেওয়া মামুনুল ইসলাম, সাগরসহ অন্য উদ্যোক্তারা জানান, গত ২৬ জুন মেলার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাড়তি টাকা আদায়ের জন্য তাদের মালামাল আটকে রাখেন আয়োজকরা। এর প্রতিবাদ করায় বুধবার চার উদ্যোক্তাকে মারধর করেন মেলা কমিটির লোকেরা।
পরে পালিয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এতেই টনক নড়ে মেলার আয়োজন ও মেলা কমিটির। এরপর পরই বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজক সংস্থার লোক সবুজ তাদের ডেকে ছাড়পত্র নেওয়ার জন্য বলেন।
উদ্যোক্তারা জানান, মেলার স্টল মালিক কিছু উদ্যোক্তার কাছে টাকা পেতেন। তারা পাওনা টাকা পরিশোধ করলে সন্ধ্যায় মালামাল নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে ছাত্রপত্র দিয়েছেন। এজন্য রাতেই অনেক উদ্যোক্তা তাদের মালামাল নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবায়দুল হক চাঁনকে ডাকা হয়েছিল। উদ্যোক্তাদের ফিরে যেতে যেন কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি না করা হয় সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি সমাধান করবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন।
বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন বলেন, বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি। উদ্যোক্তাদের কাছে স্টল মালিকরা কিছু টাকা পেতেন। কিন্তু ব্যবসা ভালো না হওয়ায় পুরো টাকা তারা দিতে পারেননি। যার যা সামর্থ্য অনুযায়ী দিয়েছে। পরে তাদের সবাইকে ছাড়পত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?