কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত
“আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার; সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার”—এই বলিষ্ঠ স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা, কালীগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সফল নারী উদ্যোক্তাগণ। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, “একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নারীরা আজ ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। আজকের এই দিবসটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নারীদের অধিকার সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করার একটি অঙ্গীকার। আমাদের মনে রাখতে হবে, কন্যা শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং নারীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্
“আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার; সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার”—এই বলিষ্ঠ স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা, কালীগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সফল নারী উদ্যোক্তাগণ।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন, “একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নারীরা আজ ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। আজকের এই দিবসটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নারীদের অধিকার সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করার একটি অঙ্গীকার। আমাদের মনে রাখতে হবে, কন্যা শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং নারীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকার নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে যে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে, তার সুফল পেতে হলে স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের সবাইকে আরও সোচ্চার হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “কালীগঞ্জের নারী উদ্যোক্তারা আজ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। তাদের যেকোনো প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে। নারীদের প্রতি বৈষম্য ও সহিংসতা রোধে আমাদের ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখতে হবে, তবেই আগামীর বাংলাদেশ হবে সমতা ও ন্যায়বিচারের।”
আলোচনা সভায় বক্তারা বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীদের সুরক্ষায় আইনি কাঠামোর সঠিক প্রয়োগ এবং কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সফল নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিকূলতা জয় করার গল্প শুনিয়ে উপস্থিত নারী ও কিশোরীদের অনুপ্রাণিত করেন।
উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি নারী ও কন্যা শিশুদের অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। সংবাদটি স্থানীয় নারী সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
What's Your Reaction?