কালুখালীতে রাতের আঁধারে কৃষকের ফসল তুলে পুকুরে ফেলে নষ্ট করলো দুর্বৃত্তরা

রাজবাড়ীর কালুখালীতে রাতের আঁধারে এক কৃষকের রসুন ও পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে তুলে পাশের পুকুরে ফেলে নষ্টের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত পিন্টু আলী মন্ডলের পুত্র মোঃ আসমত মন্ডল (৫৫)। তিনি চলতি মৌসুমে দুর্গাপুর মাঠে ৮ শতাংশ জমিতে রসুন ও ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে মাঠে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “রাতের আঁধারে কে বা কারা আমার রসুন ও পেঁয়াজ তুলে পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছে। সকালে খবর পেয়ে মাঠে এসে দেখি সব নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট করে চাষ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।” প্রতিবেশী কৃষক বাবু শিং বলেন, “যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। আজ আসমত ভাইয়ের ফসল নষ্ট করেছে, কাল অন্য কারো ক্ষতি করতে পারে।” আরেক কৃষক আহম্মেদ আলী মন্ডল বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি। যদি এভাবে ফসল নষ্ট করা হয়, তাহলে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক।” এ বিষয়ে কালুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি

কালুখালীতে রাতের আঁধারে কৃষকের ফসল তুলে পুকুরে ফেলে নষ্ট করলো দুর্বৃত্তরা

রাজবাড়ীর কালুখালীতে রাতের আঁধারে এক কৃষকের রসুন ও পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে তুলে পাশের পুকুরে ফেলে নষ্টের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত পিন্টু আলী মন্ডলের পুত্র মোঃ আসমত মন্ডল (৫৫)। তিনি চলতি মৌসুমে দুর্গাপুর মাঠে ৮ শতাংশ জমিতে রসুন ও ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে মাঠে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “রাতের আঁধারে কে বা কারা আমার রসুন ও পেঁয়াজ তুলে পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছে। সকালে খবর পেয়ে মাঠে এসে দেখি সব নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট করে চাষ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।”

প্রতিবেশী কৃষক বাবু শিং বলেন, “যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। আজ আসমত ভাইয়ের ফসল নষ্ট করেছে, কাল অন্য কারো ক্ষতি করতে পারে।”

আরেক কৃষক আহম্মেদ আলী মন্ডল বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি। যদি এভাবে ফসল নষ্ট করা হয়, তাহলে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক।”

এ বিষয়ে কালুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। আমি ইতোমধ্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পাঠিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে প্রণোদনার আওতায় আনার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।”

ঘটনার পর থেকে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow