কিউবাকে ঘিরে ব্যাপক সামরিক তৎপরতা, মার্কিন রণতরী মোতায়েন
ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এবার ক্যারিবীয় অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিউবাকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz Carrier Strike Group মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, কিউবার সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সময় বুধবার (২০ মে) ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের এই রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz (CVN-68), এর সঙ্গে থাকা Carrier Air Wing 17, ডেস্ট্রয়ার USS Gridley (DDG-101) এবং জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজ USNS Patuxent (T-AO-201) বর্তমানে ক্যারিবীয় অঞ্চলে অবস্থান করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই যুদ্ধজাহাজগুলো “সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, শক্তিশালী উপস্থিতি, অতুলনীয় সক্ষমতা ও কৌশলগত সুবিধার প্রতীক”। সাউদার্ন কমান্ড আরও জানায়, USS Nimitz বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে—তাইওয়ান প্রণালি থেকে আরব উপসাগ
ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এবার ক্যারিবীয় অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিউবাকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz Carrier Strike Group মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, কিউবার সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সময় বুধবার (২০ মে) ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের এই রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, বিমানবাহী রণতরী USS Nimitz (CVN-68), এর সঙ্গে থাকা Carrier Air Wing 17, ডেস্ট্রয়ার USS Gridley (DDG-101) এবং জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজ USNS Patuxent (T-AO-201) বর্তমানে ক্যারিবীয় অঞ্চলে অবস্থান করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই যুদ্ধজাহাজগুলো “সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, শক্তিশালী উপস্থিতি, অতুলনীয় সক্ষমতা ও কৌশলগত সুবিধার প্রতীক”।
সাউদার্ন কমান্ড আরও জানায়, USS Nimitz বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে—তাইওয়ান প্রণালি থেকে আরব উপসাগর পর্যন্ত—নিজেদের যুদ্ধক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে।
এদিকে একই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার ঘোষণা দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালে মিয়ামিভিত্তিক নির্বাসিত সংগঠন ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ’-এর দুটি বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় তার ভূমিকা ছিল। ওই ঘটনায় চারজন নিহত হন, যাদের মধ্যে তিনজন মার্কিন নাগরিক।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানের পর কিউবাই যুক্তরাষ্ট্রের “পরবর্তী লক্ষ্য” এবং কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপদেশটি “শিগগিরই পতনের মুখে পড়বে”।
অন্যদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল বলেছেন, যেকোনো সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাদের আত্মরক্ষার “পূর্ণ ও বৈধ অধিকার” রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন পদক্ষেপ “অপরিমেয় রক্তপাত ও ভয়াবহ পরিণতি” ডেকে আনতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক নতুন করে চরম উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
What's Your Reaction?