কিবোর্ডে টাইপ করলে হাতে ব্যথা? হতে পারে ডিস্টোনিয়া

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ ল্যাপটপ, কম্পিউটার আর স্মার্টফোনে টাইপ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। মাউসের একটি ক্লিকেই যেন গোটা পৃথিবী হাতের মুঠোয়। কিন্তু দিনের শেষে অনেকেই অনুভব করেন,হাত যেন আর নিজের নেই। ব্যথা, পেশিতে টান, অবশ ভাব-সব মিলিয়ে অস্বস্তি চরমে ওঠে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ব্যথাকে শুধু পেশির টান বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কাজের সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে টাইপ করা, ক্লিক করা বা স্ক্রল করার ফলে হাতের উপর একটানা চাপ পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে স্নায়ুর ওপর। কারণ হাতের প্রায় সব স্নায়ুই সরাসরি যুক্ত মস্তিষ্ক ও সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের সঙ্গে। দীর্ঘ সময় ভুল ভঙ্গিতে হাত ঝুলিয়ে রেখে কাজ করলে স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, আর সেখান থেকেই শুরু হয় ব্যথা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ডিস্টোনিয়া। ডিস্টোনিয়া কী?দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ করতে করতে হাতের স্নায়ুতে সমস্যা তৈরি হলে ডিস্টোনিয়া দেখা দিতে পারে। শুধু টাইপ করাই নয়-টানা স্ক্রলিং, ক্লিকিং কিংবা দীর্ঘক্ষণ লেখালিখির ফলেও এই সমস্যা হতে পারে। এই অবস্থায় হাতের পেশিতে টান ধরে, মুঠোর জোর কমে যায়, এমনকি বেশিক্ষণ কোনো কিছু ধরে রাখতেও সমস্য

কিবোর্ডে টাইপ করলে হাতে ব্যথা? হতে পারে ডিস্টোনিয়া

বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ ল্যাপটপ, কম্পিউটার আর স্মার্টফোনে টাইপ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। মাউসের একটি ক্লিকেই যেন গোটা পৃথিবী হাতের মুঠোয়। কিন্তু দিনের শেষে অনেকেই অনুভব করেন,হাত যেন আর নিজের নেই। ব্যথা, পেশিতে টান, অবশ ভাব-সব মিলিয়ে অস্বস্তি চরমে ওঠে।

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ব্যথাকে শুধু পেশির টান বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। কাজের সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে টাইপ করা, ক্লিক করা বা স্ক্রল করার ফলে হাতের উপর একটানা চাপ পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে স্নায়ুর ওপর। কারণ হাতের প্রায় সব স্নায়ুই সরাসরি যুক্ত মস্তিষ্ক ও সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের সঙ্গে। দীর্ঘ সময় ভুল ভঙ্গিতে হাত ঝুলিয়ে রেখে কাজ করলে স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, আর সেখান থেকেই শুরু হয় ব্যথা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ডিস্টোনিয়া।

ডিস্টোনিয়া কী?
দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ করতে করতে হাতের স্নায়ুতে সমস্যা তৈরি হলে ডিস্টোনিয়া দেখা দিতে পারে। শুধু টাইপ করাই নয়-টানা স্ক্রলিং, ক্লিকিং কিংবা দীর্ঘক্ষণ লেখালিখির ফলেও এই সমস্যা হতে পারে।

এই অবস্থায় হাতের পেশিতে টান ধরে, মুঠোর জোর কমে যায়, এমনকি বেশিক্ষণ কোনো কিছু ধরে রাখতেও সমস্যা হয়। অনেক সময় হালকা কাজ করলেও হাত কেঁপে ওঠে বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভূত হয়।

এই ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়
চিকিৎসকদের মতে, তীব্র ব্যথার ক্ষেত্রে ওষুধ ছাড়া তৎক্ষণাৎ অন্য কোনো উপায় থাকে না। ব্যথা কিছুটা কমলে ফিজিওথেরাপির সাহায্য নেওয়া জরুরি। নির্দিষ্ট কিছু হালকা ব্যায়াম হাতের স্নায়ু ও পেশিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী বিশেষ ধরনের ইঞ্জেকশনও দেওয়া হয়। তবে সমস্যা যদি অত্যন্ত জটিল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।

ডিজিটাল জীবনে হাতই আমাদের সবচেয়ে বড় সহকারী। কিন্তু সেই হাতের যত্ন না নিলে ছোট ব্যথা থেকেই বড় সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় কাজের ফাঁকে বিরতি নেওয়া, হাতের ভঙ্গি ঠিক রাখা এবং অস্বস্তি শুরু হলেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
শুধুই রাগ নাকি মানসিক ডিসঅর্ডার? 
মিলেনিয়াল বাবারা বদলে দিচ্ছেন সম্পর্কের সংজ্ঞা 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow