কিশোরগঞ্জে আপন খালাতো ভাইকে ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের দক্ষিণ নানশ্রী গোলাপদিয়াহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বায়েজিদ (২৮) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার দানাপাটুলি ইউনিয়নের কালিয়ারকান্দা গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান রকি (৩০) করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের গোলাপদিয়াহাটি গ্রামের মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি এবং মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে। নিহত বায়েজিদ রাকিবুল হাসান রকির খালাতো ভাই। পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার কথা বলে খালাতো ভাই বায়েজিদকে নিজের বাড়িতে ডেকে আনে রকি। বসতঘরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রকি দা দিয়ে বায়েজিদের গলায় কোপ দেন। গুরুতর আহত বায়েজিদ ঘর থেকে বের হলে তাকে পেছন দিক থেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর রকি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত বায়েজিদকে উদ্ধার করে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলম জানান, রকি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিক কলহের কারণে মানসিকভাবে
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের দক্ষিণ নানশ্রী গোলাপদিয়াহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বায়েজিদ (২৮) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার দানাপাটুলি ইউনিয়নের কালিয়ারকান্দা গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান রকি (৩০) করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের গোলাপদিয়াহাটি গ্রামের মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি এবং মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে। নিহত বায়েজিদ রাকিবুল হাসান রকির খালাতো ভাই।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার কথা বলে খালাতো ভাই বায়েজিদকে নিজের বাড়িতে ডেকে আনে রকি। বসতঘরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রকি দা দিয়ে বায়েজিদের গলায় কোপ দেন। গুরুতর আহত বায়েজিদ ঘর থেকে বের হলে তাকে পেছন দিক থেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর রকি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা আহত বায়েজিদকে উদ্ধার করে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলম জানান, রকি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিক কলহের কারণে মানসিকভাবে হতাশায় ভুগছিলেন।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান চলছে।
What's Your Reaction?