কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ভাঙচুর

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কার্যালয়ে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল নিয়ে যায় তারা। এছাড়া কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের কার্যালয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলীর বসবাসের টিনশেড ঘরও ভেঙে ফেলা হয়। যেসব জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলো তছনছ করে রেখে যায় হামলাকারীরা। থানা সংলগ্ন এলাকায় এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসী জানান, গভীর রাতে ভাঙচুরের শব্দ শুনতে পেলেও আতঙ্কের কারণে কেউ বাইরে বের হওয়ার সাহস পাননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি, জমির বৈধ মালিকানার কাগজপত্র তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং স্বাধীনতার পর থেকেই সেখানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যক্রম পর

কিশোরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ভাঙচুর
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কার্যালয়ে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল নিয়ে যায় তারা। এছাড়া কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের কার্যালয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলীর বসবাসের টিনশেড ঘরও ভেঙে ফেলা হয়। যেসব জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলো তছনছ করে রেখে যায় হামলাকারীরা। থানা সংলগ্ন এলাকায় এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসী জানান, গভীর রাতে ভাঙচুরের শব্দ শুনতে পেলেও আতঙ্কের কারণে কেউ বাইরে বের হওয়ার সাহস পাননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি, জমির বৈধ মালিকানার কাগজপত্র তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে এবং স্বাধীনতার পর থেকেই সেখানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুর রাজ্জাক বলেন, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জমির মালিকানাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই। পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। প্রশাসন ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow