কুইজে অংশ নিয়ে রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগ পেলেন দুই ভাই-বোন

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলো পাবনার ঈশ্বরদীর বাসিন্দা সিদ্ধা কর্মকার ও তার ভাই দুর্জয় কর্মকার। গত নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়া আন্তর্জাতিক গ্লোবাল এটোমিক কুইজে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্যাটাগরিতে বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ ৩ জনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সিদ্ধা। এদিকে তার এই সফরে সহযাত্রী ও সুপারভাইজার হিসেবে সঙ্গে যাচ্ছেন তার ভাই দুর্জয় কর্মকার, যিনি নিজেও এই কুইজের ১৮-২৫ বছর ক্যাটাগরিতে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ ১০০ জনের মধ্যে স্থান পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রসাটম) আমন্ত্রণে ৮ দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে আগামী ২৩ জুন রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে সিদ্ধা। জানা গেছে, বিজয়ী সিদ্ধা কর্মকার ঈশ্বরদী পৌরসভার নূরমহল্লা নিবাসী সমর কর্মকারের মেয়ে এবং আর.এ.আর.এস উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার ভ্রমণ সুপারভাইজার দুর্জয় কর্মকার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী। আগামী ২৬ জুন রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজ্ঞান নগরী ওবনিন্সক শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মর্যাদাপূর্ণ ‌‘৪র্থ ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ নিউক্লিয়ার ফোরাম

কুইজে অংশ নিয়ে রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগ পেলেন দুই ভাই-বোন

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করলো পাবনার ঈশ্বরদীর বাসিন্দা সিদ্ধা কর্মকার ও তার ভাই দুর্জয় কর্মকার। গত নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়া আন্তর্জাতিক গ্লোবাল এটোমিক কুইজে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্যাটাগরিতে বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ ৩ জনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সিদ্ধা।

এদিকে তার এই সফরে সহযাত্রী ও সুপারভাইজার হিসেবে সঙ্গে যাচ্ছেন তার ভাই দুর্জয় কর্মকার, যিনি নিজেও এই কুইজের ১৮-২৫ বছর ক্যাটাগরিতে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ ১০০ জনের মধ্যে স্থান পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রসাটম) আমন্ত্রণে ৮ দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে আগামী ২৩ জুন রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে সিদ্ধা।

জানা গেছে, বিজয়ী সিদ্ধা কর্মকার ঈশ্বরদী পৌরসভার নূরমহল্লা নিবাসী সমর কর্মকারের মেয়ে এবং আর.এ.আর.এস উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার ভ্রমণ সুপারভাইজার দুর্জয় কর্মকার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

আগামী ২৬ জুন রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজ্ঞান নগরী ওবনিন্সক শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মর্যাদাপূর্ণ ‌‘৪র্থ ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ নিউক্লিয়ার ফোরাম ওবনিন্সক নিউ’-এ বাংলাদেশ থেকে বিজয়ী এই দুই ভাই-বোন অংশ নেবেন।

১৯৫৪ সালের ২৬ জুন এই ওবনিন্সক শহরেই পৃথিবীর সর্বপ্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করা হয়েছিল। ২০২৬ সালের এই ফোরামটি মূলত সেই ঐতিহাসিক ঘটনার ৭০ বছর পূর্তি উদযাপনের একটি বিশেষ অংশ।

ফোরামের মূল দিনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী, গবেষক, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং উদীয়মান তরুণ লিডারদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে ঈশ্বরদীর সিদ্ধা। সেখানে সে পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক বিভিন্ন উচ্চ-পর্যায়ের প্যানেল আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেমিনার এবং বিশেষায়িত ওয়ার্কশপে অংশ নিয়ে নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ পাবে। ৮ দিনের এই সূচির সফরে ওবনিন্সক শহরের মূল ফোরামের অনুষ্ঠান শেষে তারা মস্কো ভ্রমণ করবেন। সেখানে রেড স্কয়ার, ক্রেমলিন, সেন্ট বেসিলস ক্যাথেড্রাল এবং বিখ্যাত ‘অ্যাটম’ প্যাভিলিয়নের মতো ঐতিহাসিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার কথা রয়েছে তাদের। আগামী ৩০শে জুন এই সফর শেষ করে তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

সিদ্ধা কর্মকার নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক এই বড় মঞ্চে বাংলাদেশ থেকে যেতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গত বছর নভেম্বর মাসে যখন আমি ‘গ্লোবাল এটোমিক কুইজ’-এ অংশ নিয়েছিলাম, তখন নিজের মেধা যাচাই করার জন্য কুইজটা দিয়েছিলাম। বিশ্বজুড়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্যাটাগরিতে সেরা ৩ জনের একজন হওয়াটা আমার জন্য বড় চমক ছিল। কিন্তু আজ রাশিয়ার এই ঐতিহাসিক বিজ্ঞান নগরী ওবনিন্সকে যাওয়ার সুযোগ পাওয়াটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান ও প্রাপ্তি।

শেখ মহসীন/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow