কুকুরের খোঁড়া গর্ত থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ের মরদেহ
ফরিদপুরে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদরের চর মাধবদীয়া ইউনিয়নের ইখলাস মাতুব্বরের কলাবাগান এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, বিকেল ৩টার দিকে কুলসুম বেগম নামের এক গৃহিণী পুকুর পাড়ে ছাগল চড়াতে এসে কয়েকটি কুকুরকে মাটি খুঁড়তে দেখেন। কাছে গিয়ে তিনি দুর্গন্ধ পান ও মাটিচাপা অবস্থায় মানুষের পা দেখে চিৎকার করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানালে তারা পুলিশ খবর দেয়। খবর পেয়ে গোয়ালন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে এক নারী (৩০-৩৫) ও কন্যাশিশুর (৩-৪) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ফরিদপুর সদর থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। নিহতরা হলেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণসোনা গ্রামের আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানা আক্তার ও তাদের তিন বছর বয়সী শিশু কন্যা সামিয়া আক্তার। জাহানা আক্তার মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার লালন মোল্লার মেয়ে। তার স্বামী আমজাদ স্থানীয় একটি ইট ভাটার শ্রমিক। আমজাদের প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর জাহানাকে বিয়ে করেন বলে জানা যায়। আমজাদের পিতা আব্দুর রব জানান, গত ৪ মে বাড়ির অন্য সদস্যের সঙ্গে তার ভাগনে
ফরিদপুরে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদরের চর মাধবদীয়া ইউনিয়নের ইখলাস মাতুব্বরের কলাবাগান এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বিকেল ৩টার দিকে কুলসুম বেগম নামের এক গৃহিণী পুকুর পাড়ে ছাগল চড়াতে এসে কয়েকটি কুকুরকে মাটি খুঁড়তে দেখেন। কাছে গিয়ে তিনি দুর্গন্ধ পান ও মাটিচাপা অবস্থায় মানুষের পা দেখে চিৎকার করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানালে তারা পুলিশ খবর দেয়।
খবর পেয়ে গোয়ালন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে এক নারী (৩০-৩৫) ও কন্যাশিশুর (৩-৪) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ফরিদপুর সদর থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল।
নিহতরা হলেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণসোনা গ্রামের আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানা আক্তার ও তাদের তিন বছর বয়সী শিশু কন্যা সামিয়া আক্তার।
জাহানা আক্তার মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার লালন মোল্লার মেয়ে। তার স্বামী আমজাদ স্থানীয় একটি ইট ভাটার শ্রমিক। আমজাদের প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর জাহানাকে বিয়ে করেন বলে জানা যায়।
আমজাদের পিতা আব্দুর রব জানান, গত ৪ মে বাড়ির অন্য সদস্যের সঙ্গে তার ভাগনে আলা খাঁ’র চল্লিশা অনুষ্ঠানে যায় জাহানা। ফেরার সময় অন্যদের বিদায় জানিয়ে জাহানা সামিয়াকে নিয়ে ওষুধ কিনতে হামেদ খাঁর বাজারে যায়। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি। জাহানার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে জাহানার স্বামী আমজাদ শেখ।
উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) জামাল মোল্লা জানান, আমজাদ ইটের ভাটায় কাজ করত। মাঝে মাঝে জাহানাও যেত সেখানে। ইটের ভাটায় উজ্জ্বল নামের এক ছেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলাও হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, মরদের উদ্ধারের স্থানের কাছেই সেই যুবকের বাড়ি। এ ঘটনার সঙ্গে উজ্জ্বলের সম্পৃক্ততা আছে কিনা খতিয়ে দেখা দরকার।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, হত্যাকারীকে ধরতে কাজ করছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
What's Your Reaction?