কুকুরে বেশি কামড়ালেও টিকার কোনো অভাব হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কুকুরে বেশি কামড়ালেও দেশে জলাতঙ্ক রোগের টিকার কোনো অভাব হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে দেশব্যাপী পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-র‍্যাবিস বা জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা সরবরাহ করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা বাড়লেও টিকার কোনো অভাব হবে না। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ দেশের সব হাসপাতালে কুকুরে কামড়ানোর প্রতিষেধক সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত সারাদেশে এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৫ ভায়াল বা পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। আরও পড়ুন আদ-দ্বীনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থায় অনড় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ১০ জুন পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ

কুকুরে বেশি কামড়ালেও টিকার কোনো অভাব হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কুকুরে বেশি কামড়ালেও দেশে জলাতঙ্ক রোগের টিকার কোনো অভাব হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে দেশব্যাপী পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-র‍্যাবিস বা জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা সরবরাহ করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা বাড়লেও টিকার কোনো অভাব হবে না।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ দেশের সব হাসপাতালে কুকুরে কামড়ানোর প্রতিষেধক সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত সারাদেশে এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৫ ভায়াল বা পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ১০ জুন পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি-র‍্যাবিস টিকার ৫০টি ভায়াল মজুত আছে। এছাড়া শরীরের ওপরের অংশে কুকুর কামড়ালে তড়িৎ অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য ব্যবহৃত ইমিউন গ্লোবুলিন টিকার মজুত রয়েছে ৬৫ ভায়াল বা ২৬০ ডোজ।

পরবর্তীতে ওই সংসদ সদস্যের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরবরাহ ব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সারা বাংলাদেশে তিন স্তরে মজুত প্রস্তুত রেখেছি। শুধু এটি নয়, প্রতিটি টিকার ক্ষেত্রেই উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ মজুত রাখা হয়েছে।’

জরুরি পরিস্থিতিতে টিকার জোগান নিশ্চিত করতে সরকারের চার স্তরের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে- যদি কোনো উপজেলায় মাত্রাতিরিক্ত রোগী আসে এবং মজুত শেষ হয়ে যায়, তবে পাশের উপজেলা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করতে হবে। সেখানে শেষ হয়ে গেলে জেলা থেকে নেবে। জেলার মজুতও যদি শেষ হয়ে যায়, তবে কেন্দ্র বা সিএমএসডি থেকে টিকা সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) তাৎক্ষণিকভাবে কিনে দেবেন।’

সংসদ সদস্য ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চার স্তরে আমরা মজুত রেখেছি। সংসদ সদস্যকে নিশ্চয়তা প্রদান করছি, ইনশাআল্লাহ এই আশ্বিন মাসে কুকুরে বেশি কামড়ালেও আল্লাহর রহমতে আমাদের টিকার কোনো অভাব হবে না।’

এমওএস/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow