কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, দুই দিনে আক্রান্ত ১১৫

বর্ষার বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত জুলাই মাসে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৪ জন। আগস্ট মাসের প্রথম দুই দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১১৫ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার দাউদকান্দি উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে শুধু দাউদকান্দি উপজেলাতেই ১৮২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেই সেখানে আরও ২১ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। উপজেলার সবজিকান্দি, নাগেরকান্দি ও সাহাপাড়া গ্রামে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকায় নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা সালমা আক্তার ও তার মেয়ে সামিয়া আক্তার বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা জানান, প্রথমে সালমা আক্ত

কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, দুই দিনে আক্রান্ত ১১৫

বর্ষার বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত জুলাই মাসে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৪ জন। আগস্ট মাসের প্রথম দুই দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১১৫ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার দাউদকান্দি উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে শুধু দাউদকান্দি উপজেলাতেই ১৮২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেই সেখানে আরও ২১ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। উপজেলার সবজিকান্দি, নাগেরকান্দি ও সাহাপাড়া গ্রামে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকায় নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

এদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা সালমা আক্তার ও তার মেয়ে সামিয়া আক্তার বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তারা জানান, প্রথমে সালমা আক্তারের জ্বর আসে। কয়েকদিন পর তার মেয়েও জ্বরে আক্রান্ত হলে পরীক্ষায় জানা যায়, মা-মেয়ে দুজনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত।

অপরদিকে কুমিল্লা নগরীর একটি প্রতিষ্ঠানে নাইট শিফটে কর্মরত আলী নেওয়াজ ভূঁইয়া গত শুক্রবার থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন।

তিনি বলেন, বাসার পাশের ড্রেন ও কর্মস্থলে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ থাকতে হয়। এরপরই জ্বরে আক্রান্ত হই।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, দিন দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow