কুমিল্লায় ট্রাক উল্টে নিহতরা ধানকাটা শ্রমিক
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে হতাহত শ্রমিকেরা কাজের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী যাচ্ছিলেন। খরচ কমাতে ট্রাকে করে রওনা হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৩টার দিকে উপজেলার হাসানপুর এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওই দুর্ঘটনায় সাত শ্রমিক নিহত হন ও আহত হন আরও ছয়জন।
নিহতরা হলেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খালিপুর গ্রামের আবজাল হোসেন (৩৫), সোহরাব হোসেন (৪০), আবু সালেক (৪২); বিরামপুর উপজেলার ভাইঘর গ্রামের সুমন মিয়া (২১), বিষু মিয়া (৩৪), আবু হোসেন (২৯) এবং আবদুর রশিদ (৫৮)।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, দিনাজপুর থেকে একটি চালবোঝাই ট্রাকে করে ১৩ জন শ্রমিক নোয়াখালী যাচ্ছিলেন। ভাড়া কমানোর উদ্দেশে তারা ট্রাকের ওপর বসে যাত্রা করেন। পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন।
নিহত সোহরাব হোসেনের ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন সকালে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানায় এসে বলেন, নিহতদের সবাই ধান কাটার শ্রমিক। তাদের মধ্যে সোহরাব তার (জসিম উদ্দিন) স্ত্রীর বড় ভাই। কাজের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী যাচ্ছিলেন তারা। সোহরাব পরিবারের একমাত্র
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে হতাহত শ্রমিকেরা কাজের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী যাচ্ছিলেন। খরচ কমাতে ট্রাকে করে রওনা হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৩টার দিকে উপজেলার হাসানপুর এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওই দুর্ঘটনায় সাত শ্রমিক নিহত হন ও আহত হন আরও ছয়জন।
নিহতরা হলেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খালিপুর গ্রামের আবজাল হোসেন (৩৫), সোহরাব হোসেন (৪০), আবু সালেক (৪২); বিরামপুর উপজেলার ভাইঘর গ্রামের সুমন মিয়া (২১), বিষু মিয়া (৩৪), আবু হোসেন (২৯) এবং আবদুর রশিদ (৫৮)।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, দিনাজপুর থেকে একটি চালবোঝাই ট্রাকে করে ১৩ জন শ্রমিক নোয়াখালী যাচ্ছিলেন। ভাড়া কমানোর উদ্দেশে তারা ট্রাকের ওপর বসে যাত্রা করেন। পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন।
নিহত সোহরাব হোসেনের ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন সকালে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানায় এসে বলেন, নিহতদের সবাই ধান কাটার শ্রমিক। তাদের মধ্যে সোহরাব তার (জসিম উদ্দিন) স্ত্রীর বড় ভাই। কাজের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী যাচ্ছিলেন তারা। সোহরাব পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ১৫হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়।