কুষ্টিয়ায় দরবারের সেই খাদেমকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হযরত শাহ রউফ (রা.) দরগাহ শরীফের খাদেম মো. কামাল হোসেনকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় চরের বালুর ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের আবেদের ঘাট থেকে মানিকের চর যাওয়ার পথে একটি কলাবাগানের পাশে তাকে উদ্ধার করা হয়। আহত কামাল হোসেন (৪০) উপজেলার মথুরাপুর দরগাতলা এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধারকালে তার পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কয়েকজন পথচারী চরের বালুর মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে চিলমারি ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া কামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ বাড়ির সামনে থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে হাত-পা বেঁধে চরের বালুর মধ্যে ফেলে রেখে যায়। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তিনি শনাক্ত করতে পারেননি বলে জানান। এর আগে গত ৯ মে একই খাদেমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় তার বোন রিতা খাতুন তাকে উদ্ধার করতে গেলে

কুষ্টিয়ায় দরবারের সেই খাদেমকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হযরত শাহ রউফ (রা.) দরগাহ শরীফের খাদেম মো. কামাল হোসেনকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় চরের বালুর ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের আবেদের ঘাট থেকে মানিকের চর যাওয়ার পথে একটি কলাবাগানের পাশে তাকে উদ্ধার করা হয়। আহত কামাল হোসেন (৪০) উপজেলার মথুরাপুর দরগাতলা এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধারকালে তার পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কয়েকজন পথচারী চরের বালুর মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে চিলমারি ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া কামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ বাড়ির সামনে থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে হাত-পা বেঁধে চরের বালুর মধ্যে ফেলে রেখে যায়। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তিনি শনাক্ত করতে পারেননি বলে জানান। এর আগে গত ৯ মে একই খাদেমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় তার বোন রিতা খাতুন তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধরের শিকার হতে হয়। হামলাকারীরা রিতা খাতুনের গলায় থাকা প্রায় আট আনা ওজনের স্বর্ণের হার ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় কামাল হোসেন বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, হযরত শাহ রউফ (রা.) দরগাহ শরীফে প্রতিবছর বৈশাখের ২৯ ও ৩০ তারিখ এবং ১ জ্যৈষ্ঠ ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন ওরশকে কেন্দ্র করে দরবার এলাকায় মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। মেলার কমিটি গঠন এবং দরগাহর জমিজমা ও সভাপতি পদ নিয়ে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাদেম কামাল হোসেনকে উদ্ধার করেছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow