কুৎসা রটাতে ‘প্রোপাগান্ডা বট’ তৈরি করা হয়েছে : রিজভী 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আজ ‘প্রোপাগান্ডা বট’ বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে। এই প্রোপাগান্ডা বট দিয়ে মানুষের চরিত্রহনন, কুৎসা রটনা ও অপপ্রচারের যেন শেষ নেই।  তবে অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলা যাবে না। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি)  জাতীয় শিল্পকলার চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণামূলক সঙ্গীতের উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)। রিজভী বলেন, সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনটা আমাদেরকে একটা সংগ্রামের মতো বিজয় ঘটাতে হবে। কারণ চারিদিকে নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং আজ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা বট বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে।  তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করল, যারা গুপ্ত এবং সুপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের বোরখার নিচে থাকেনি, আওয়ামী লীগের আবরণের মধ্যে যারা থাকেনি, যারা সত্য এবং ন্যায়কে সুস্পষ্টভাবে রুদ্রালোকের মধ্যে যারা বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ কেন জান

কুৎসা রটাতে ‘প্রোপাগান্ডা বট’ তৈরি করা হয়েছে : রিজভী 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আজ ‘প্রোপাগান্ডা বট’ বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে। এই প্রোপাগান্ডা বট দিয়ে মানুষের চরিত্রহনন, কুৎসা রটনা ও অপপ্রচারের যেন শেষ নেই।  তবে অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি)  জাতীয় শিল্পকলার চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণামূলক সঙ্গীতের উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)।

রিজভী বলেন, সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনটা আমাদেরকে একটা সংগ্রামের মতো বিজয় ঘটাতে হবে। কারণ চারিদিকে নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং আজ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা বট বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে। 

তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করল, যারা গুপ্ত এবং সুপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের বোরখার নিচে থাকেনি, আওয়ামী লীগের আবরণের মধ্যে যারা থাকেনি, যারা সত্য এবং ন্যায়কে সুস্পষ্টভাবে রুদ্রালোকের মধ্যে যারা বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ কেন জানি মনে হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে এক ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় এত গভীরে যে, একটা গাছ বা বটগাছের যে শেকড় যতদূরে যায়, তার চাইতেও অনেক গভীরের শেকড়। এই শেকড়কে অপপ্রচার দিয়ে মিথ্যার ঝলকানি দিয়ে এটিকে ঢেকে রাখা যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদন্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, এই সমস্ত কুৎসা, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, গীতিকার, অভিনয় শিল্পী, সুরকার যারা আছেন- সবাই মিলে আপনাদের সুললিত ধ্বনি, আপনাদের অত্যন্ত শক্তিশালী শব্দ সবগুলোকে ব্যবহার করে আমরা এই অপপ্রচারের যে কষাঘাত চলছে, সেটাকে আমরা পরাজিত করবো। আমরা সত্য, ন্যায় এবং ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় ঘটাতে সক্ষম হবো।

জাসাস নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সবসময় বলেছি তোমাদেরকে মিছিল করতে হবে না। তোমাদের এই স্লোগান দেওয়ার দরকার নাই। তোমরা যারা এখানে আছো, তাদের অবশ্যই আমরা বুঝবো। জাসাসের প্রোগ্রামে এলেই বুঝবো, এখানে আমি কবিদের মাঝে এসেছি। এখানে আমি লেখকদের মাঝে এসেছি। এখানে আমি কন্ঠশিল্পীদের মাঝে এসেছি। এখানে গীতিকারদের মাঝে এসেছি এবং এই তাদের যে সান্নিধ্য, আমাকে আমার যে বর্তমান সাংস্কৃতিক অবস্থান, সে সাংস্কৃতিক অবস্থানকে পরিবর্তন করে দেয়। রুচির পরিবর্তন করে দেয়। এই সমস্ত ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে থাকলে একজন মানুষের রুচির পরিবর্তন হতে পারে। তার যে ভাষা এবং শব্দ, তার কন্ঠের সুর, তার উদ্দীপনামূলক গান সবকিছুই একজন মানুষ সে যে সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসে, সেই সামাজিক অবস্থানটার পরিপূর্ণ পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে একেবারে এক অসাধারণ উন্নত রুচিসম্পন্ন মানুষে পরিণত করতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, এজন্য আমি মনে করি, জাসাসের সঙ্গে যারা আছে, আপনাদের গতানুগতিক রাজনীতি করার দরকার নাই। আপনাদের রাজনীতি হবে ভিন্নতর। সবাই আপনাদের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য আসবেন এবং আপনারা যে অনুষ্ঠানগুলি করবেন, সেখানে  এ দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির অন্য যারা রয়েছেন, যারা সরাসরি সংগঠন করেন, রাজনীতি করেন- তারা আসবেন, অনেকটা মনের প্রশান্তির জন্য। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, জাসাসের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow