কুড়িগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ৮ শিশু
কুড়িগ্রামে গত এক সপ্তাহে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ জন শিশুকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। এছাড়া দুই শিশু বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং অপর দুই শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথা দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চারজন শিশু হলো- কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ এলাকার ওমর ফারুকের ১৫ মাস বয়সী শিশু আরশ, নাগেশ্বরী উপজেলার মফিজুল ইসলামের এক বছরের মেয়ে মাহিয়া, জেলা শহরের নিমবাগান এলাকার মোফাজ্জলের ১৯ মাস বয়সী ছেলে ফাইয়াজ এবং উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বকুল মিয়ার দেড় বছরের মেয়ে মুনতাহা। মুনতাহার বাবা বকুল মিয়া জানান, অসুস্থ মেয়েকে প্রথমে উলিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের উপসর্গ দেখা দিলে গত দুই দিন ধরে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আরশের বাবা ওমর ফারুক বলেন,
কুড়িগ্রামে গত এক সপ্তাহে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ জন শিশুকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। এছাড়া দুই শিশু বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং অপর দুই শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথা দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চারজন শিশু হলো- কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ এলাকার ওমর ফারুকের ১৫ মাস বয়সী শিশু আরশ, নাগেশ্বরী উপজেলার মফিজুল ইসলামের এক বছরের মেয়ে মাহিয়া, জেলা শহরের নিমবাগান এলাকার মোফাজ্জলের ১৯ মাস বয়সী ছেলে ফাইয়াজ এবং উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বকুল মিয়ার দেড় বছরের মেয়ে মুনতাহা।
মুনতাহার বাবা বকুল মিয়া জানান, অসুস্থ মেয়েকে প্রথমে উলিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের উপসর্গ দেখা দিলে গত দুই দিন ধরে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আরশের বাবা ওমর ফারুক বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তার ছেলে জ্বরে ভুগছে। শরীরে র্যাশ এবং প্রসাবে সংক্রমণের লক্ষণও রয়েছে। অসুস্থতার কারণে শিশুটি ঠিকমতো ঘুমাতে পারছে না। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, এখন পর্যন্ত ৮ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে। তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে এবং একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি ৬ জনের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আর দুইজন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।
রোকনুজ্জামান মানু/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?