কুয়েতে তিন দিনব্যাপী খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা নিবেদন
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশের স্মারক হিসেবে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে তিন দিনব্যাপী শোকবই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুয়েতের মিসিলা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গত ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি, কুয়েত সরকারের প্রতিনিধি এবং কুয়েতে বসবাসরত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
কূটনীতিকরা শোক বইয়ে স্বাক্ষরকালে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আগত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং তাদের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত শোকবই স্বাক্ষর
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশের স্মারক হিসেবে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে তিন দিনব্যাপী শোকবই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুয়েতের মিসিলা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গত ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি, কুয়েত সরকারের প্রতিনিধি এবং কুয়েতে বসবাসরত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
কূটনীতিকরা শোক বইয়ে স্বাক্ষরকালে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আগত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং তাদের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত শোকবই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনে দূতাবাসের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করে কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহসহ দেশটির জাতীয় নেতারা ইতোপূর্বেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে সরকারি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন।