কূটনৈতিক তৎপরতায় বিনামূল্যে মিলছে ৩০ হাজার টন পটাশ সার
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী জানিয়েছেন, কূটনৈতিক তৎপরতা ও দ্রুত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে সক্ষম হয়েছে। কারণ, নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশে আটকে থাকা ৩০ হাজার মেট্রিক টন পটাশ সার বাংলাদেশ বিনামূল্যে পেতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। উদ্যোগটিকে তিনি ‘এজাইল ডিপ্লোমেসির’ একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, এক বৈঠকে বিদেশি এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাকে জানান যে নিষেধাজ্ঞার কারণে একটি জাহাজে থাকা ৩০ হাজার মেট্রিক টন পটাশ সার কেউ নিতে চাইছে না। সারগুলোর মান ভালো থাকায় বাংলাদেশ চাইলে তা বিনামূল্যে পাঠানো সম্ভব। বিষয়টি জানার পরপরই সংশ্লিষ্ট একাধিক মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় করা হয়। কাগজপত্র সম্পন্ন, মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে প্রায় এক বছর পর চলতি সপ্তাহে সারবাহী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে যাচ্ছে। এতে দেশের প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়েছে। তিনি বলেন, এই সুযোগের বিষয়টি আগে কেউ জানত না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণা
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী জানিয়েছেন, কূটনৈতিক তৎপরতা ও দ্রুত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে সক্ষম হয়েছে। কারণ, নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশে আটকে থাকা ৩০ হাজার মেট্রিক টন পটাশ সার বাংলাদেশ বিনামূল্যে পেতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। উদ্যোগটিকে তিনি ‘এজাইল ডিপ্লোমেসির’ একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, এক বৈঠকে বিদেশি এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাকে জানান যে নিষেধাজ্ঞার কারণে একটি জাহাজে থাকা ৩০ হাজার মেট্রিক টন পটাশ সার কেউ নিতে চাইছে না। সারগুলোর মান ভালো থাকায় বাংলাদেশ চাইলে তা বিনামূল্যে পাঠানো সম্ভব। বিষয়টি জানার পরপরই সংশ্লিষ্ট একাধিক মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় করা হয়। কাগজপত্র সম্পন্ন, মান যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে প্রায় এক বছর পর চলতি সপ্তাহে সারবাহী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে যাচ্ছে। এতে দেশের প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি বলেন, এই সুযোগের বিষয়টি আগে কেউ জানত না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টাতেই এটি সম্ভব হয়েছে।
এমইউ/একিউএফ
What's Your Reaction?