কেন হাইকোর্টে গেলেন বরুণ ধাওয়ান?

আজকাল শুধু সিনেমার পর্দা, টেলিভিশন বা ম্যাগাজিনেই সীমাবদ্ধ নন তারকারা। ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে তাদের ছবি, ভিডিও ও কণ্ঠস্বর। আর এই সুযোগেই বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার। বিনা অনুমতিতে তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট-যার শিকার হচ্ছেন একের পর এক তারকা। এই পরিস্থিতিতে এবার নিজের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। ডিজিটাল মাধ্যমে তার ছবি, ভিডিও, কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিগত পরিচয় অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের অভিযোগে তিনি দিল্লি হাইকোর্টে সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে জানা যায়, শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের সিঙ্গল বেঞ্চে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং অভিনেতার পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বরুণ ধাওয়ানের নাম, ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপফেক

কেন হাইকোর্টে গেলেন বরুণ ধাওয়ান?

আজকাল শুধু সিনেমার পর্দা, টেলিভিশন বা ম্যাগাজিনেই সীমাবদ্ধ নন তারকারা। ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে তাদের ছবি, ভিডিও ও কণ্ঠস্বর। আর এই সুযোগেই বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার। বিনা অনুমতিতে তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট-যার শিকার হচ্ছেন একের পর এক তারকা।

এই পরিস্থিতিতে এবার নিজের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। ডিজিটাল মাধ্যমে তার ছবি, ভিডিও, কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিগত পরিচয় অনুমতি ছাড়া ব্যবহারের অভিযোগে তিনি দিল্লি হাইকোর্টে সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।

প্রতিবেদনে জানা যায়, শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের সিঙ্গল বেঞ্চে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং অভিনেতার পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বরুণ ধাওয়ানের নাম, ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপফেক ভিডিও, আপত্তিকর ছবি এবং বিভ্রান্তিকর লিংক-যা তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত আইনি সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন এই অভিনেতা। আদালতের নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে এসব আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে এবং ভবিষ্যতে যেন পুনরায় ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও ও বিজ্ঞাপন তৈরি ক্রমেই বাড়ছে। সহজেই কারও পরিচয় নকল করা সম্ভব হওয়ায় সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এখন বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

আরও পড়ুন:
সোনিকে বিয়ে করতে ধর্ম বদলেছিলেন মহেশ ভাট, জানালেন পূজা 
কেন ১০ বছর হাসা বন্ধ রেখেছিলেন নেহা? 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত অধিকার ও পরিচয় সুরক্ষায় এ ধরনের আইনি পদক্ষেপ এখন সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আদালতও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow