কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নাঈম মোল্লা নামে এক কিশোর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। নিহত নাঈম মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার মজিদ মোল্লার ছেলে। সে বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে আমবাগিচা পানির টাংকি এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতো এবং কালিগঞ্জ জোড়া ব্রিজ এলাকায় একটি প্যান্টের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। এ ঘটনায় রবিন নামে কিশোর গ্যাংয়ের এক সদস্য আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।শুক্রবার রাতে আগানগর ইউনিয়নের ডিপজলের বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রমজান মাসে তারাবির নামাজ পড়া নিয়ে তাজ এবং রবিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল। সম্প্রতি বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকায় সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রবিন ও তাজ আবারো ঝগড়া শুরু করে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছুরি দিয়ে একে অপরকে এলোপাথাড়ি আঘাত করার সময় রবিন ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নাঈম ছুরিকাহত হন। স্থানীয়রা রবিন ও নাঈমকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার সকালে নাঈমের মৃত্যু হয়।দক্

কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নাঈম মোল্লা নামে এক কিশোর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। নিহত নাঈম মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার মজিদ মোল্লার ছেলে। সে বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে আমবাগিচা পানির টাংকি এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতো এবং কালিগঞ্জ জোড়া ব্রিজ এলাকায় একটি প্যান্টের দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। এ ঘটনায় রবিন নামে কিশোর গ্যাংয়ের এক সদস্য আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার রাতে আগানগর ইউনিয়নের ডিপজলের বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রমজান মাসে তারাবির নামাজ পড়া নিয়ে তাজ এবং রবিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল। সম্প্রতি বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকায় সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রবিন ও তাজ আবারো ঝগড়া শুরু করে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছুরি দিয়ে একে অপরকে এলোপাথাড়ি আঘাত করার সময় রবিন ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নাঈম ছুরিকাহত হন। স্থানীয়রা রবিন ও নাঈমকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার সকালে নাঈমের মৃত্যু হয়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম জানান, মারামারির ঘটনায় নাঈম ও রবিন ছুরিকাহত হওয়ার পাশাপাশি তাজও আহত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কী কারণে এই হত্যাকান্ড, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় নিহত নাঈমের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow