কোলন ক্যানসার নিয়ন্ত্রণের ৫ উপায়
কোলন ক্যানসার হলো large intestine বা বৃহদান্ত্রের ক্যানসার। আগে সাধারণত এটি মধ্যবয়সি বা বড়দের মধ্যে বেশি দেখা যেত। কিন্তু আজকাল তরুণদের মধ্যে এই রোগের সংখ্যা বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক।
কোলন ক্যানসার অনেক সময় শুরুর দিকে কোনো লক্ষণ দেখায় না। তবে সময়ের সঙ্গে পেটে ব্যথা, বদহজম, রক্তমিশ্রিত পায়খানা বা পাতলা পায়খানা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত।
নিচে কোলন ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ বা ঝুঁকি কমানোর ৫টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।
চলুন, জেনে নিই নিয়ন্ত্রণযোগ্য সেই ঝুঁকিগুলো
অ্যালকোহল সেবন
মদ্যপান অন্তত সাত ধরনের ক্যানসারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, এর মধ্যে কোলন ক্যানসারও রয়েছে। দীর্ঘদিন অ্যালকোহল খেলে ঝুঁকি ৩০ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে যে কোনো ধরনের অ্যালকোহল পান বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে।
ধূমপান
তামাক ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ২৫ শতাংশ ক্যানসারজনিত মৃত্যুর জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ধূমপান করলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। ফলে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং ও সহায়তা নেওয়া এর সমাধান।
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
অতিরিক্
কোলন ক্যানসার হলো large intestine বা বৃহদান্ত্রের ক্যানসার। আগে সাধারণত এটি মধ্যবয়সি বা বড়দের মধ্যে বেশি দেখা যেত। কিন্তু আজকাল তরুণদের মধ্যে এই রোগের সংখ্যা বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক।
কোলন ক্যানসার অনেক সময় শুরুর দিকে কোনো লক্ষণ দেখায় না। তবে সময়ের সঙ্গে পেটে ব্যথা, বদহজম, রক্তমিশ্রিত পায়খানা বা পাতলা পায়খানা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত।
নিচে কোলন ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ বা ঝুঁকি কমানোর ৫টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।
চলুন, জেনে নিই নিয়ন্ত্রণযোগ্য সেই ঝুঁকিগুলো
অ্যালকোহল সেবন
মদ্যপান অন্তত সাত ধরনের ক্যানসারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, এর মধ্যে কোলন ক্যানসারও রয়েছে। দীর্ঘদিন অ্যালকোহল খেলে ঝুঁকি ৩০ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে যে কোনো ধরনের অ্যালকোহল পান বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে।
ধূমপান
তামাক ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ২৫ শতাংশ ক্যানসারজনিত মৃত্যুর জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ধূমপান করলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি ও মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। ফলে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং ও সহায়তা নেওয়া এর সমাধান।
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
অতিরিক্ত ওজন শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা নয়, এটি ক্যানসারের অন্যতম বড় ঝুঁকি। স্থূলতা শরীরে প্রদাহ, কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং রক্তনালীর গঠনে প্রভাব ফেলে যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে অতিরিক্ত ওজন কমানো।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
লাল মাংস (গরু, খাসি, শুকর ইত্যাদি) ও প্রক্রিয়াজাত মাংস (হটডগ, সসেজ ইত্যাদি) দীর্ঘদিন খাওয়ার ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া উচ্চ তাপে ভাজা বা গ্রিল করা মাংসও ক্ষতিকর। অন্যদিকে শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত শস্য বেশি খাওয়া এবং লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার সীমিত করাই এ সমস্যা সমাধান করতে পারে।
অলস জীবনযাপন
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা কোলন ক্যানসারের বড় কারণ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে এ ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যায়। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা থেকে মাঝারি ব্যায়াম করা। হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সিঁড়ি ব্যবহার করাও কার্যকর।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া