কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব জোরদারে সম্মত ভারত-মালয়েশিয়া

ভারত ও মালয়েশিয়া প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, জ্বালানি এবং কৃষিখাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশ তাদের বিদ্যমান ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ আরও বিস্তৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  দু’দিনের সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সফরের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, যুব বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। দুই নেতা বাণিজ্য সহজীকরণ জোরদার এবং সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল অর্থনীতি ও শিল্প সহযোগিতাসহ বিভিন্ন খাতে সম্ভাবনা সম্প্রসারণে একমত হন। মালয়েশিয়া–ইন্ডিয়া কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট এবং আসিয়ান–ইন্ডিয়া ট্রেড ইন গুডস অ্যাগ্রিমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে উভয় দেশের শিল্পখাতকে স্থানীয় মুদ্রায় ব

কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব জোরদারে সম্মত ভারত-মালয়েশিয়া

ভারত ও মালয়েশিয়া প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ডিজিটাল অর্থনীতি, জ্বালানি এবং কৃষিখাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশ তাদের বিদ্যমান ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ আরও বিস্তৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। 

দু’দিনের সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সফরের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, যুব বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।

দুই নেতা বাণিজ্য সহজীকরণ জোরদার এবং সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল অর্থনীতি ও শিল্প সহযোগিতাসহ বিভিন্ন খাতে সম্ভাবনা সম্প্রসারণে একমত হন। মালয়েশিয়া–ইন্ডিয়া কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট এবং আসিয়ান–ইন্ডিয়া ট্রেড ইন গুডস অ্যাগ্রিমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে উভয় দেশের শিল্পখাতকে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের হিসাব ও নিষ্পত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি ক্ষেত্রেও সহযোগিতা গভীর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্যে একে অপরের অভ্যন্তরীণ নীতির প্রতি সম্মান রেখে কাজ করার কথা বলা হয়। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী টেকসই পাম তেলের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের সব রূপ ও প্রকাশকে দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানান এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।

২০২৫ সালে ভারত ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮.৫৯ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া মালয়েশিয়ায় প্রায় ২৭.৫ লাখ ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow