ক্যানসারে থমকে আছে কলেজছাত্রী অর্পার স্বপ্ন, বাঁচতে চায় এক টুকরো আশা

২২ বছর বয়সী কলেজছাত্রী অর্পার জীবন এখন হাসপাতালের বিছানা আর চিকিৎসার কঠিন বাস্তবতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তরুণ বয়সে যেখানে তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে স্বনির্ভর হওয়ার, সেখানে আজ সে লড়ছে একিউট লিউকেমিয়া (হাড়ের ক্যানসার) নামের একটি জটিল ও প্রাণঘাতী রোগের সঙ্গে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অর্পার বাবা ও মা দুজনই বেসরকারি চাকরিজীবী। সীমিত আয়ের মধ্যেও দীর্ঘদিন ধরে তারা মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুরু থেকেই নিয়মিত কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো হচ্ছে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগটি দীর্ঘমেয়াদি এবং উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখা জরুরি। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসছে। সন্তানের জীবন বাঁচাতে গিয়ে বাবা-মা এখন চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অর্পার জীবন বাঁচাতে এখন জরুরি ভিত্তিতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (Bone Marrow Transplant) প্রয়োজন। তবে এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। নিজেদের সম্বল হারিয়ে পরিবারটি এখন পথে বসার উপক্রম। ঋণ করে চিকিৎসা চালানো হলেও এখন সেই সক্ষমতাও শেষ

ক্যানসারে থমকে আছে কলেজছাত্রী অর্পার স্বপ্ন, বাঁচতে চায় এক টুকরো আশা

২২ বছর বয়সী কলেজছাত্রী অর্পার জীবন এখন হাসপাতালের বিছানা আর চিকিৎসার কঠিন বাস্তবতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তরুণ বয়সে যেখানে তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে স্বনির্ভর হওয়ার, সেখানে আজ সে লড়ছে একিউট লিউকেমিয়া (হাড়ের ক্যানসার) নামের একটি জটিল ও প্রাণঘাতী রোগের সঙ্গে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অর্পার বাবা ও মা দুজনই বেসরকারি চাকরিজীবী। সীমিত আয়ের মধ্যেও দীর্ঘদিন ধরে তারা মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুরু থেকেই নিয়মিত কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো হচ্ছে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগটি দীর্ঘমেয়াদি এবং উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখা জরুরি। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসছে। সন্তানের জীবন বাঁচাতে গিয়ে বাবা-মা এখন চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অর্পার জীবন বাঁচাতে এখন জরুরি ভিত্তিতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (Bone Marrow Transplant) প্রয়োজন। তবে এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। নিজেদের সম্বল হারিয়ে পরিবারটি এখন পথে বসার উপক্রম। ঋণ করে চিকিৎসা চালানো হলেও এখন সেই সক্ষমতাও শেষ হয়ে এসেছে। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা শুরু না হলে অর্পার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

অর্পার বাবা-মায়ের একটাই অনুরোধ- তাদের মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের সহায়তা প্রয়োজন। অর্পার একটাই স্বপ্ন, সে আবার সুস্থ হয়ে ফিরে যেতে চায় তার কলেজে, তার স্বাভাবিক জীবনে।

সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:
মানবিক কারণে অর্পার চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে আগ্রহী ব্যক্তিরা সরাসরি তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা নিচের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনুদান পাঠাতে পারেন:

হিসাব নাম- মো. হাফিযুর রাহমান খান (পিতা)
হিসাব নম্বর: ০২০০০১২৮২০৬৪৬
ব্যাংক: অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
শাখা: আইসিডিডিআরবি শাখা, ঢাকা নর্থ জোন।
মোবাইল নম্বর: ০১৮৩৩৯৩৩৪৪০

এসইউজে/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow