ক্যাম্পাসে কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডম লাগে না

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে উদ্দেশ্য করে ‌‘ক্যাম্পাসের কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডম লাগে না’ বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে মানববন্ধন করে শাখা ছাত্রদল। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতির টাঙানো ব্যানার রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সরিয়ে ফেলেন। এর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করেন তারা। এসময় মানববন্ধনে ছাত্রদলের কর্মীদের নানান ধরনের প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে লেখা ছিল- ‘আমি আম্মার, আমি মানসিকভাবে অসুস্থ, আমার মানসিক চিকিৎসা দরকার’, ‘আমি আম্মার, আমি মানসিক বিকারগ্রস্ত’। ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘কুত্তা পেটাতে হেডম লাগে না, টোকাই পেটাতে হেডম লাগে না। একটি দায়িত্বশীল দলের ছাত্রনেতা হিসেবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা ধৈর্য ধারণ করে আছি। যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে কারও পিঠের চামড়া থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনক

ক্যাম্পাসে কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডম লাগে না

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে উদ্দেশ্য করে ‌‘ক্যাম্পাসের কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডম লাগে না’ বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে মানববন্ধন করে শাখা ছাত্রদল। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতির টাঙানো ব্যানার রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সরিয়ে ফেলেন। এর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করেন তারা।

এসময় মানববন্ধনে ছাত্রদলের কর্মীদের নানান ধরনের প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে লেখা ছিল- ‘আমি আম্মার, আমি মানসিকভাবে অসুস্থ, আমার মানসিক চিকিৎসা দরকার’, ‘আমি আম্মার, আমি মানসিক বিকারগ্রস্ত’।

ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘কুত্তা পেটাতে হেডম লাগে না, টোকাই পেটাতে হেডম লাগে না। একটি দায়িত্বশীল দলের ছাত্রনেতা হিসেবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা ধৈর্য ধারণ করে আছি। যদি ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তাহলে কারও পিঠের চামড়া থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে বলতে চাই— আপনারা দ্রুত এই উন্মাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করুন। যদি এই সময়ের মধ্যে তার কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ধরে নেব এই উপাচার্য ও উপাচার্যদ্বয়ের নির্দেশেই তারেক রহমানের ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে।’

আম্মারকে উন্মাদ ও পাগল আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর এক ওহীর মাধ্যমে এক জামায়াতপন্থি শিক্ষক উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই জামায়াতপন্থি উপাচার্যের পুত্র হিসেবে খ্যাত সালাহউদ্দিন আম্মার। সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। এই রকম মুনাফিক ছাত্রনেতা যখন ছাত্রসংসদের জিএস নির্বাচিত হয়, এটা আসলে আমাদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক। আজকে যখন আমরা জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, তখন সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারলাম কথিত জিএস সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের দেশনেতার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে।’

এসময় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি এই পাগলা কুত্তা, এই কুলাঙ্গার আমাদের কলিজার নেতা তারেক রহমানের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বশেষ একটা কথাই বলতে চাই, আমরা আপনাদেরকে স্মারকলিপি দেওয়ার পর তার পরিবারের সঙ্গে আপনারা যোগাযোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, কর্মকর্তাদের এই পাগলা কুত্তার কামড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে তাকে দ্রুত পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করুন। আর না হয় তার পিতা-মাতার হাতে তুলে দিন। যদি না পারেন, তাহলে আমরা আগামীতে এই পাগলা কুত্তা সালাহউদ্দিন আম্মারকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রইলাম।’

মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নেছার উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘আজ আমরা দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে এই প্যারিস রোডে উপস্থিত হয়েছি। আমরা এই ক্যাম্পাসে আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমানের নামে একটি শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে ব্যানার টাঙিয়েছিলাম। কিন্তু একটি গোষ্ঠী তা মেনে নিতে না পেরে ছিঁড়ে ফেলেছে। গত ফ্যাসিস্টদের মতো তারা আমাদের জাতীয়তাবাদী দলকে নিঃশেষ করে দিতে চায়। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, যাতে দ্রুত এই ছেলেকে বিচারের আওতায় আনা হয়।

মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিট ও হল শাখার প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow