ক্রেতার অপেক্ষায় ১৫ মণের ‘রয়েল’

  আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার কালাপাকুজ্জ্যা ইউনিয়নের রশিদপুর এলাকায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শাহিওয়াল জাতের একটি বিশাল গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় কৃষক নাজিম উদ্দিন। ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‌‘রয়েল’। ৬২৫ কেজি (১৫ মণ) ওজনের বিশাল এই ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে সাত লাখ টাকা। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা ষাঁড়টি বর্তমানে এলাকায় আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই কৃষক নাজিমের বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘একটি বড় গরু পালনের শখ থেকে গত পাঁচ বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো গরুটির দেখাশোনা করেছি। কোনো ধরনের ক্ষতিকারক ওষুধ বা স্টেরয়েড ছাড়াই শুধুমাত্র সবুজ ঘাস, খড়, চালের গুঁড়া ও খৈলের মতো প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরুটিকে বড় করেছি। খাবারের পেছনে প্রতিদিন ৩০০ টাকা খরচ হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে রয়েলের ওজন প্রায় ৬২৫ কেজি বা সাড়ে ১৫ মণ। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রয়েলের বাজারমূল্য সাত লাখ টাকা চাইছি। এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকা দাম বলেছেন স্থানীয় পাইকাররা। কিন্তু আমি সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে চাচ্ছি। যিনি নিজে এট

ক্রেতার অপেক্ষায় ১৫ মণের ‘রয়েল’

 

আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার কালাপাকুজ্জ্যা ইউনিয়নের রশিদপুর এলাকায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শাহিওয়াল জাতের একটি বিশাল গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় কৃষক নাজিম উদ্দিন। ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‌‘রয়েল’। ৬২৫ কেজি (১৫ মণ) ওজনের বিশাল এই ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে সাত লাখ টাকা।

সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা ষাঁড়টি বর্তমানে এলাকায় আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই কৃষক নাজিমের বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

ক্রেতার অপেক্ষায় ১৫ মণের ‘রয়েল’

কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘একটি বড় গরু পালনের শখ থেকে গত পাঁচ বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো গরুটির দেখাশোনা করেছি। কোনো ধরনের ক্ষতিকারক ওষুধ বা স্টেরয়েড ছাড়াই শুধুমাত্র সবুজ ঘাস, খড়, চালের গুঁড়া ও খৈলের মতো প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরুটিকে বড় করেছি। খাবারের পেছনে প্রতিদিন ৩০০ টাকা খরচ হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে রয়েলের ওজন প্রায় ৬২৫ কেজি বা সাড়ে ১৫ মণ। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রয়েলের বাজারমূল্য সাত লাখ টাকা চাইছি। এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকা দাম বলেছেন স্থানীয় পাইকাররা। কিন্তু আমি সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে চাচ্ছি। যিনি নিজে এটা কোরবানি দেবেন, এমন ক্রেতা খুঁজছি।’

ক্রেতার অপেক্ষায় ১৫ মণের ‘রয়েল’

ষাঁড়টিকে কোরবানির হাটে তোলার ইচ্ছা নেই কৃষক নাজিমের। তিনি বলেন, ‘হাটে তুললে ক্রেতার চেয়ে উৎসুক মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। সবার নানা রকম প্রশ্নে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই। এছাড়া এখন কাপ্তাই লেকে পানি নেই। গরুটিকে বাজারে নেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য হবে। তারপর বাজারে নিয়ে দাম না পেলে আবার বাড়িতে ফেরত আনা সম্ভব না। এসব কারণে বাজারে না তুলে সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে চাই।’

কৃষক নাজিম উদ্দিনের প্রতিবেশী জয়নাল আবেদীন বলেন, নাজিম একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী কৃষক। অভাবের মধ্যেও রয়েলকে পরম আদরে বড় করেছেন। এখন গরুটির উপযুক্ত দাম পেলে তার পরিশ্রম সার্থক হবে।

আবু দারদা খান আরমান/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow