ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলে ‘স্মার্ট বল’ টাচ সেন্সর কীভাবে কাজ করেছে?

পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলটি বিশ্বকাপে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে রেফারির সেই সিদ্ধান্ত শুধু ভিএআরের ক্যামেরার ফুটেজের ওপর নির্ভর করেনি। ওই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ‘স্মার্ট বল’, যার ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর বলে স্পর্শের সঠিক মুহূর্ত শনাক্ত করতে সক্ষম। বিশ্বকাপে ব্যবহৃত বলের ভেতরে একটি ইনার্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (আইএমইউ) সেন্সর স্থাপন করা থাকে। এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার (৫০০ হার্টজ) তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে বলে ঠিক কখন স্পর্শ হয়েছে, তা অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। সেন্সর থেকে সংগৃহীত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে পাঠানো হয়। এরপর সেই তথ্য স্টেডিয়ামজুড়ে স্থাপিত ট্র্যাকিং ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থানের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। এই দুই প্রযুক্তির সমন্বয়ে অফসাইড, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুলভাবে নেওয়া যায়। যখনই কোনো খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেন, সেন্সর তথ্যের গ্রাফে একটি পরিবর্তন রেকর্ড করে। সম্প্রচারে এটি অনেকটা ইসিজি বা হৃদস্পন্দনের গ্রাফের মতো দ

ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলে ‘স্মার্ট বল’ টাচ সেন্সর কীভাবে কাজ করেছে?

পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলটি বিশ্বকাপে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে রেফারির সেই সিদ্ধান্ত শুধু ভিএআরের ক্যামেরার ফুটেজের ওপর নির্ভর করেনি। ওই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ‘স্মার্ট বল’, যার ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর বলে স্পর্শের সঠিক মুহূর্ত শনাক্ত করতে সক্ষম।

বিশ্বকাপে ব্যবহৃত বলের ভেতরে একটি ইনার্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (আইএমইউ) সেন্সর স্থাপন করা থাকে। এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার (৫০০ হার্টজ) তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে বলে ঠিক কখন স্পর্শ হয়েছে, তা অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

সেন্সর থেকে সংগৃহীত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে পাঠানো হয়। এরপর সেই তথ্য স্টেডিয়ামজুড়ে স্থাপিত ট্র্যাকিং ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থানের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। এই দুই প্রযুক্তির সমন্বয়ে অফসাইড, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুলভাবে নেওয়া যায়।

যখনই কোনো খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেন, সেন্সর তথ্যের গ্রাফে একটি পরিবর্তন রেকর্ড করে। সম্প্রচারে এটি অনেকটা ইসিজি বা হৃদস্পন্দনের গ্রাফের মতো দেখা যায়, যা স্পর্শের সুনির্দিষ্ট মুহূর্ত নির্দেশ করে। এরপর সেই সময়ের সঙ্গে মাঠে খেলোয়াড়দের অবস্থান মিলিয়ে রেফারিং দল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোলের ক্ষেত্রেও ঠিক এই প্রযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্মার্ট বলের সেন্সর নিশ্চিত করে যে আক্রমণ গড়ার সময় একজন ক্রোয়েশিয়ান খেলোয়াড় বল স্পর্শ করেছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ভিএআর রেফারিদের সামনে নিরপেক্ষ ও নির্ভুল প্রমাণ উপস্থাপন করে, যার ফলে গোলটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow