ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত আহমদ আলীর পরিবারের পাশে সরকার

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার বাসিন্দা সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলীর মরদেহ গ্রামে পোঁছেছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আহমদ আলীর মরদেহ পৌঁছালে তা গ্রহণ করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি নিজেই মরদেহ মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা গ্রামে পৌঁছে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। এসময় দাফন-কাফনের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকা, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা এবং বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকার অনুদানের চেক নিহতের পরিবারের হাতে তুলে দেন আরিফুল হক চৌধুরী। মরদেহ হস্তান্তরের পর আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি দুবাইয়ে নিহত বড়লেখার সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলীর মরদেহ নিয়ে তার বাড়িতে এসেছেন। সালেহ উদ্দিনের মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে এবং মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, নিহত সালেহ উদ

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত আহমদ আলীর পরিবারের পাশে সরকার

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার বাসিন্দা সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলীর মরদেহ গ্রামে পোঁছেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আহমদ আলীর মরদেহ পৌঁছালে তা গ্রহণ করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি নিজেই মরদেহ মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা গ্রামে পৌঁছে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন।

এসময় দাফন-কাফনের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৮৫ হাজার টাকা, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা এবং বড়লেখা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকার অনুদানের চেক নিহতের পরিবারের হাতে তুলে দেন আরিফুল হক চৌধুরী।

মরদেহ হস্তান্তরের পর আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি দুবাইয়ে নিহত বড়লেখার সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলীর মরদেহ নিয়ে তার বাড়িতে এসেছেন। সালেহ উদ্দিনের মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে এবং মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, নিহত সালেহ উদ্দিনের পরিবারের জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার। তার ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া থেকে শুরু করে কর্মক্ষম সদস্যদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। পরিবারের এক ছেলে অসুস্থ এবং স্ত্রী প্রতিবন্ধী। ছেলের চিকিৎসা ও স্ত্রীর প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবাসে যারা আছেন, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, আমরা সবাই বিষয়টি মনিটরিং করছি। যারা অসুস্থ আছেন, তাদের চিকিৎসা চলছে সেখানের (বিদেশে) হাসপাতালে। আরও তিনটা মরদেহ আছে। সেগুলো পরে আসবে। আমরা তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করব। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ আমাদের সরকার সবসময় প্রবাসীদের পাশে আছে। ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাল্লাহ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলী জীবিকার তাগিদে প্রায় ২৭ বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি আজমান শহরে বসবাস করতেন এবং পানি সরবরাহের গাড়ি চালানো কাজ করতেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর পানি সরবরাহ করতে গিয়ে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে পড়ে। এতে সালেহসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সালেহকে মৃত ঘোষণা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow