কয়রার ৮৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলছে কার্যক্রম
খুলনার কয়রা উপজেলার ৮৩টি সরকারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যা সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না হওয়া, অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া নতুন জাতীয়করণকৃত ১৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পদ পেতে মামলা করেছেন। মামলার কারণে এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বা পদায়ন সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় ১৪২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ খালি রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে পাঠদান ও দাপ্তরিক একসঙ্গে করতে হয়। উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বতুলবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহীদ হাসান বলেন, তার বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষকের মধ্যে এক
খুলনার কয়রা উপজেলার ৮৩টি সরকারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। যা সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না হওয়া, অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া নতুন জাতীয়করণকৃত ১৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পদ পেতে মামলা করেছেন। মামলার কারণে এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বা পদায়ন সম্ভব হচ্ছে না।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় ১৪২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ খালি রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে পাঠদান ও দাপ্তরিক একসঙ্গে করতে হয়।
উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বতুলবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহীদ হাসান বলেন, তার বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষকের মধ্যে একজন ডেপুটেশনে। বর্তমানে তিনজন শিক্ষক নিয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজ করা খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এই সংকটের কারণে স্কুল চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কয়রা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকার বলেন, শূন্য পদগুলোয় পদোন্নতিযোগ্য শিক্ষকদের তালিকা জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। পদায়ন সম্পন্ন হলে বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করেন তিনি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল আলম কালবেলাকে বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ও শূন্য পদে পদোন্নতির বিষয়ে হাইকোর্টে চলমান যে মামলাটি ছিল, সেটি এরই মধ্যে খারিজ হয়ে গেছে। নতুন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে খুলনার কয়রাসহ অন্যান্য উপজেলার শূন্যপদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
What's Your Reaction?