কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের একটি অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের পর কমপক্ষে ১৬ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন খনিটির ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার থাংস্কু এলাকায় অবৈধ কয়লা উত্তোলনের সময় এই ঘটনা ঘটে। রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক আই নংরাং বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১৬টি লাশ উদ্ধার করেছি। বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে ঠিক কতজন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কবে আরও অনেক লোক আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে’। পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড়ের পুলিশ সুপার (এসপি) বিকাশ কুমার জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে আহত একজনকে প্রথমে সুতঙ্গা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলং হাসপাতালে পাঠানো হয়। খনিটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল কিনা জানতে চাইলে কুমার বলেন, ‘হ্যাঁ, মনে হচ্ছে তাই।’ তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তদন্ত করা হবে। প্রসঙ্গত, জাতীয় সবুজ ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ২০১৪ সালে মেঘালয়ে পরিবেশগত ক্ষতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ‘র‍্য

কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের একটি অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের পর কমপক্ষে ১৬ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন খনিটির ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার থাংস্কু এলাকায় অবৈধ কয়লা উত্তোলনের সময় এই ঘটনা ঘটে।

রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক আই নংরাং বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১৬টি লাশ উদ্ধার করেছি। বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে ঠিক কতজন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কবে আরও অনেক লোক আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে’।

পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড়ের পুলিশ সুপার (এসপি) বিকাশ কুমার জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে আহত একজনকে প্রথমে সুতঙ্গা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলং হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খনিটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল কিনা জানতে চাইলে কুমার বলেন, ‘হ্যাঁ, মনে হচ্ছে তাই।’ তিনি আরও বলেন, বিস্ফোরণের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তদন্ত করা হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় সবুজ ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ২০১৪ সালে মেঘালয়ে পরিবেশগত ক্ষতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ‘র‍্যাট-হোল’ (সাধারণত ৩-৪ ফুট উঁচু সরু সুড়ঙ্গ খনন করা হয়) এবং অন্যান্য অবৈজ্ঞানিকভাবে কয়লা খনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, একই সাথে এই ধরনের পদ্ধতির মাধ্যমে উত্তোলিত কয়লা অবৈধ পরিবহণকেও সীমিত করেছিল। তবে তা সত্ত্বেও অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলন চলছে এবং প্রায় এই ধরনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।

সূত্র: এনডিটিভি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow