খাগড়াছড়িতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বহিষ্কার

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ানকে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকায় সমীরণ দেওয়ানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ফুটবল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তার বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, দলের মনোনয়ন না পেয়ে সমীরণ দেওয়ান বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। ১৭ বছর তিনি খাগড়াছড়িতে ছিলেন না। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ২০০৮ সালে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাদের ম

খাগড়াছড়িতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বহিষ্কার

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সমীরণ দেওয়ানকে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকায় সমীরণ দেওয়ানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ফুটবল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তার বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, দলের মনোনয়ন না পেয়ে সমীরণ দেওয়ান বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। ১৭ বছর তিনি খাগড়াছড়িতে ছিলেন না। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ২০০৮ সালে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাদের মন্ত্রী ও এমপিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলতেন।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরার কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন সমীরণ দেওয়ান। ওই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা পেয়েছিলেন এক লাখ ২২ হাজার ৭৫০ ভোট, আর সমীরণ দেওয়ান পেয়েছিলেন ৬৩ হাজার ৪৮ ভোট।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর দীর্ঘ সময় খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে সমীরণ দেওয়ানকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

প্রবীর সুমন/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow