খাচ্ছেন কম, তবুও বাড়ছে ওজন? জেনে নিন কারণ ও করণীয়

অনেকেই মনে করেন, কম খেলে ওজন কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, খাবার কম খাওয়ার পরও ওজন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে শুধু অতিরিক্ত ক্যালরি নয়, আরও নানা কারণ কাজ করতে পারে। ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়া। বয়স, জিনগত বৈশিষ্ট্য কিংবা হরমোনের পরিবর্তনের কারণে শরীর আগের তুলনায় কম ক্যালরি পোড়াতে পারে। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে চর্বি হিসেবে জমে যায়। এ ছাড়া অপর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও ওজন বৃদ্ধির বড় কারণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। আবার দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে পেটে চর্বি জমতে পারে। কিছু ওষুধ, যেমন অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অ্যান্টিহিস্টামিন ও স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও ওজন বাড়তে পারে। পাশাপাশি হাইপোথাইরয়েডিজম বা নারীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)-এর মতো হরমোনজনিত সমস্যাও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধু কম খাওয়াই যথেষ্ট নয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতি

খাচ্ছেন কম, তবুও বাড়ছে ওজন? জেনে নিন কারণ ও করণীয়

অনেকেই মনে করেন, কম খেলে ওজন কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, খাবার কম খাওয়ার পরও ওজন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে শুধু অতিরিক্ত ক্যালরি নয়, আরও নানা কারণ কাজ করতে পারে।

ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়া। বয়স, জিনগত বৈশিষ্ট্য কিংবা হরমোনের পরিবর্তনের কারণে শরীর আগের তুলনায় কম ক্যালরি পোড়াতে পারে। ফলে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে চর্বি হিসেবে জমে যায়।

এ ছাড়া অপর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও ওজন বৃদ্ধির বড় কারণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। আবার দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে পেটে চর্বি জমতে পারে।

কিছু ওষুধ, যেমন অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, অ্যান্টিহিস্টামিন ও স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও ওজন বাড়তে পারে। পাশাপাশি হাইপোথাইরয়েডিজম বা নারীদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)-এর মতো হরমোনজনিত সমস্যাও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধু কম খাওয়াই যথেষ্ট নয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি, কোমল পানীয় ও সাদা রুটি কমিয়ে শাকসবজি, ফলমূল, পূর্ণ শস্য, মাছ, ডাল ও চর্বিহীন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট নিয়মিত ব্যায়াম, ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

এসব পরিবর্তনের পরও যদি ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে নিজে চিকিৎসা না করে দ্রুত একজন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow