খালার বাড়ি থেকে ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী
নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসায় যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক স্কুলছাত্রী। সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী মায়ের ফোন পেয়ে থানা পুলিশ বুধবার (১৬ জুন) বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে আটক করে। আটকরা হলেন- উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম মোল্লা বাড়ির জয়নাল আহম্মদের ছেলে সিএনজিচালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ফয়েজ আহমেদ (২৬)। এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। জানা যায়, সোমবার বিকেলে ভিকটিম স্কুলছাত্রী উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের শুভপুর গ্রামে তার খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশে সিএনজি অটোরিকশা করে রওনা দেন। একপর্যায়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছলে সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে ভিকটিম স্কুল শিক্ষার্থীকে অন্য একটি সিএনজিচালক (মামলার আসামি) রিয়াজ মোল্লার সিএনজিতে উঠিয়ে দেয়। পরে সিএনজি চালক রিয়াজ
নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসায় যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক স্কুলছাত্রী। সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী মায়ের ফোন পেয়ে থানা পুলিশ বুধবার (১৬ জুন) বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে আটক করে।
আটকরা হলেন- উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম মোল্লা বাড়ির জয়নাল আহম্মদের ছেলে সিএনজিচালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ফয়েজ আহমেদ (২৬)। এ ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীর মা বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
জানা যায়, সোমবার বিকেলে ভিকটিম স্কুলছাত্রী উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের শুভপুর গ্রামে তার খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশে সিএনজি অটোরিকশা করে রওনা দেন। একপর্যায়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছলে সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে ভিকটিম স্কুল শিক্ষার্থীকে অন্য একটি সিএনজিচালক (মামলার আসামি) রিয়াজ মোল্লার সিএনজিতে উঠিয়ে দেয়। পরে সিএনজি চালক রিয়াজ মোল্লা একটু সামনে জাকিরের মোড় নামকস্থানে গিয়ে তার বন্ধু পরিচয়ে মামলার অপর আসামি ফয়েজ আহমেদকে সিএনজিতে উঠায়।
আরও জানা যায়, অভিযুক্তরা স্কুলছাত্রীকে ফেনীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়। পরে একইদিন রাত ৮টায় আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদ স্কুল শিক্ষার্থী ভিকটিমকে তেতৈয়া গ্রামের জাফরের টিনশেড বাড়ীতে নিয়ে যায়। পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা এবং তাদের অপর সহযোগী আকরাম তিনজন রাতভর ধর্ষণ করে।
পরদিন মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে এলাকাবাসী খবর পেয়ে ভিকটিমকে জবানবন্দির ভিত্তিতে ফেনীর বাসায় পাঠিয়ে দেয়। স্কুলছাত্রী ফেনীর বাসায় ঘটনাটি তার মাকে জানালে মাসহ ঘটনাস্থালে এসে পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদকে আটক করে।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম থানায় ধর্ষণ মামলা করেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়।
What's Your Reaction?