খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অঘোষিত বৈঠক

ঢাকায় এক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক মুহূর্তে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বুধবার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাসভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। খবর জিওটিভি নিউজের।  সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকের শুরুতে দুই নেতা করমর্দন করেন এবং সৌজন্য বিনিময় করেন। দীর্ঘদিন পর দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের এ ধরনের সরাসরি যোগাযোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ৮০ বছর বয়সে মারা যান। তার মৃত্যুতে দেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে তার মরদেহ নেওয়ার সময় পথে অবস্থান নেন হাজার হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। লাখ লাখ জনতার ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। পরে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের নেতারা ঢাকায় আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানে

খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অঘোষিত বৈঠক

ঢাকায় এক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক মুহূর্তে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বুধবার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাসভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। খবর জিওটিভি নিউজের। 

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকের শুরুতে দুই নেতা করমর্দন করেন এবং সৌজন্য বিনিময় করেন। দীর্ঘদিন পর দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের এ ধরনের সরাসরি যোগাযোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ৮০ বছর বয়সে মারা যান। তার মৃত্যুতে দেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে তার মরদেহ নেওয়ার সময় পথে অবস্থান নেন হাজার হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। লাখ লাখ জনতার ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। পরে জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।

খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের নেতারা ঢাকায় আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এই বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ ২০২৫ সালের মে মাসে স্বল্প সময়ের হলেও তীব্র সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছিল পাকিস্তান ও ভারত। তার আগে পহেলগাম ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং সীমান্তজুড়ে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ভারতের নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে হিন্দু পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। নয়াদিল্লি ওই হামলার পেছনে পাকিস্তানের মদদের অভিযোগ তোলে, যদিও কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। পাকিস্তান শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের বর্ণনাকে ‘ভিত্তিহীন ও মনগড়া’ বলে অভিহিত করেছে।

ঢাকায় এই বৈঠককে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow