খালেদা জিয়ার স্মরণে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নাগরিক শোকসভা আজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন। শোকসভায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে শোকসভার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সমাজের পক্ষে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।  তিনি জানান, শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ শোকসভা হবে। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং দেশনেত্রীর প্রতি জাতীয় পর্যায়ের মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের মানবিক উদ্যোগ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ উদ্যোগে দেশের সব পেশাজীবী যুক্ত হয়েছেন। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, সম্পাদক, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, ধর্মীয় প্রতিনিধিসহ নাগরিক সমাজের বহু অংশীজন উপস্থিত থাকবেন। বিদেশি কূটনৈতিক মিশ

খালেদা জিয়ার স্মরণে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নাগরিক শোকসভা আজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শোকসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন। শোকসভায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে শোকসভার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সমাজের পক্ষে বক্তব্য দেন অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। 

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ শোকসভা হবে। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং দেশনেত্রীর প্রতি জাতীয় পর্যায়ের মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদনের মানবিক উদ্যোগ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ উদ্যোগে দেশের সব পেশাজীবী যুক্ত হয়েছেন। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, সম্পাদক, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, ধর্মীয় প্রতিনিধিসহ নাগরিক সমাজের বহু অংশীজন উপস্থিত থাকবেন। বিদেশি কূটনৈতিক মিশন থেকেও উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। শোকসভায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রবেশপথগুলো খুলে দেওয়া হবে।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিপুলসংখ্যক মানুষ তার প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছেন। সেজন্য নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ আয়োজন। এটি একটি পবিত্র অনুষ্ঠান, গাম্ভীর্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। শোকসভাটি রাজনৈতিক দলভিত্তিক নয়। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা মঞ্চে বক্তব্য দেবেন না। বিভিন্ন পেশার শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, গবেষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক ও অন্য পেশাজীবীরা বক্তব্য দেবেন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তারা দর্শকসারিতে থাকবেন।

মাহবুব উল্লাহ বলেন, দার্শনিকভাবে বলতে গেলে মানুষের প্রতিটি কাজই রাজনীতির সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। সেই হিসেবে এ আয়োজন রাজনৈতিকও বটে, আবার অরাজনৈতিকও। কারণ, বক্তব্য দেবেন শুধু পেশাজীবীরা, রাজনৈতিক দলভুক্ত কেউ নন।

আয়োজকরা শোকসভার জন্য কঠোর নিয়মাবলি ঘোষণা করেন। তারা জানান, এ অনুষ্ঠানে সেলফি তোলা যাবে না। হাততালি দেওয়া যাবে না। দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। আমন্ত্রণপত্র ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবে অতিথিদের মধ্যে কেউ আমন্ত্রণপত্র আনতে ভুলে গেলে তার জন্য বিকল্প প্রবেশপত্র থাকবে, তবে তা শুধু তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য।

মাল্টিমিডিয়ার কর্মীরা আসতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে আয়োজকরা বলেন, অফিস যাকে দায়িত্ব দেবে, সেই রিপোর্টার, ক্যামেরাম্যান বা মাল্টিমিডিয়া কর্মী প্রবেশ করতে পারবেন। তবে অবশ্যই আমন্ত্রণপত্র থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সাবেক সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow