খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন : রবিন

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর কিছু দিন আগে একটি রেকর্ড বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি অনেক কথা বলেন। তবে এত অত্যাচারের পরেও তিনি কারো প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কোনো কথা বলেননি। বরং তিনি সব সময় আমাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন।  রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানাধীন ৫৩ নং ওয়ার্ড কুসুমবাগ সোসাইটির উদ্যোগে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।  খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আয়োজন করায় সোসাইটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে রবিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একটি দলের নেত্রী, তবুও কেন তার জন্য সারা দেশে দোয়া করা হচ্ছে! কারণ, তিনি এমন একজন নেত্রী ছিলেন, যিনি নির্দিষ্ট কোনো দলকে প্রতিনিধিত্ব করেননি। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ভালোবেসেছেন, সবাইকে দেখেছেন দেশের নাগরিক হিসেবে। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের পরিশ্রমে এই এলাকা গ্রাম থেকে শহরে রূপান্তর হয়েছে। ১৯৯১ সালে যখন আপনাদের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করে, তখন থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদের তত্

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন : রবিন

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর কিছু দিন আগে একটি রেকর্ড বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি অনেক কথা বলেন। তবে এত অত্যাচারের পরেও তিনি কারো প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কোনো কথা বলেননি। বরং তিনি সব সময় আমাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিতে বলেছেন। 

রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানাধীন ৫৩ নং ওয়ার্ড কুসুমবাগ সোসাইটির উদ্যোগে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। 

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার আয়োজন করায় সোসাইটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে রবিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একটি দলের নেত্রী, তবুও কেন তার জন্য সারা দেশে দোয়া করা হচ্ছে! কারণ, তিনি এমন একজন নেত্রী ছিলেন, যিনি নির্দিষ্ট কোনো দলকে প্রতিনিধিত্ব করেননি। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ভালোবেসেছেন, সবাইকে দেখেছেন দেশের নাগরিক হিসেবে।

তিনি বলেন, এলাকার মানুষের পরিশ্রমে এই এলাকা গ্রাম থেকে শহরে রূপান্তর হয়েছে। ১৯৯১ সালে যখন আপনাদের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করে, তখন থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে আপনারা দিন-রাত পরিশ্রম করে একটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করেছেন।

খালেদা জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে রবিন বলে, শ্যামপুর সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল অন্য এলাকায়, তখন তৎকালীন সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের অনুরোধে বেগম খালেদা জিয়া সেগুলো ঢাকা-৪ এ প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে এই এলাকার ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই এলাকার মানুষকে বেগম খালেদা জিয়া মনে রেখেছিলেন। সে কারণে আমাদের যখন যা প্রয়োজন, সালাহউদ্দিন আহমেদ তার কাছে যাওয়ার সাথে সাথে এলাকার নাম শুনেই তা দিয়ে দিয়েছেন।

রবিন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন। তিনি এসেছিলেন এ দেশের মানুষের জন্য। বেগম খালেদা জিয়া সবসময় মানুষের পাশে ছিলেন এবং আমাদেরও থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এই মানুষটির জন্য আজ দোয়া ও আশীর্বাদ করছে সমগ্র দেশ। কারণ, তিনি কোনো  মানুষকে ধর্ম দিয়ে বিবেচনা করেননি।  তিনি মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখেছেন। ভালোবেসেছিলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে।

৫৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী জুয়েলের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক ও ৫৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মীর হোসেন মীরু। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কুসুমবাগ সোসাইটির সভাপতি ও ৫৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow