খুন-গুম করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু
খুন, গুম, নির্যাতন ও জুলুম চালিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ‘যারা অতীতে ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতি, লুটপাট ও জনরোষের মুখে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।’ শুক্রবার (০৩ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার উচিতপুর ট্রলার ঘাট এলাকায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আগে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ‘আগের শাসকগোষ্ঠী খুন করেছে, গুম করেছে, মানুষকে জেলে নির্যাতন করেছে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করেছে, জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে না।’ তিনি বলেন, ‘আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর। আল্লাহ যদি কাউকে রক্ষা করেন, তাকে কেউ ক্ষতি করতে পারে না। আর আল্লাহ যদি কাউকে ধরেন, তাকে কেউ রক্ষা করতে পারে না। দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণেই তারা জনগণের রোষানলে পড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।’ মাদকের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছিল। বা
খুন, গুম, নির্যাতন ও জুলুম চালিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ‘যারা অতীতে ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতি, লুটপাট ও জনরোষের মুখে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।’
শুক্রবার (০৩ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার উচিতপুর ট্রলার ঘাট এলাকায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আগে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ‘আগের শাসকগোষ্ঠী খুন করেছে, গুম করেছে, মানুষকে জেলে নির্যাতন করেছে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করেছে, জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর। আল্লাহ যদি কাউকে রক্ষা করেন, তাকে কেউ ক্ষতি করতে পারে না। আর আল্লাহ যদি কাউকে ধরেন, তাকে কেউ রক্ষা করতে পারে না। দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণেই তারা জনগণের রোষানলে পড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।’
মাদকের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছিল। বাংলাদেশে কোনো মাদক উৎপাদনকারী কারখানা নেই। পরিকল্পিতভাবে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক প্রবেশ করিয়ে দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে।’
স্থানীয় জেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘একটি মা মাছ এক থেকে দেড় লাখ পর্যন্ত পোনা উৎপাদন করতে পারে। তাই মা মাছ সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব। আগামী পাঁচ মাস মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকলে উৎপাদন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। এখন যে মাছ অল্প দামে বিক্রি হচ্ছে, কয়েক মাস পর সেটির পরিমাণ ও বাজারমূল্য দুটিই বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশ “মাছে-ভাতে বাঙালি” হিসেবে পরিচিত ছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। এই মাছ আপনাদেরই সম্পদ। মা মাছ রক্ষা করুন, নির্ধারিত সময়ের আগে মাছ ধরবেন না। এতে আপনাদের যেমন লাভ হবে, তেমনি দেশেরও উপকার হবে।
হাওরাঞ্চলের মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মৎস্য খাতের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।’
উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন লুৎফুজ্জামান বাবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাবিবুর রশিদ হাবিব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. দেলোয়ার হোসেন এবং ড. মো. খালেদ কনক।
পরে লুৎফুজ্জামান বাবর, দুই প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাওরের বিভিন্ন স্থানে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন।
What's Your Reaction?