খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করা হয়েছে: বিএনপি নেতা হাবিব

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, নির্বাচনকালীন সময়ের সাবেক ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক, তালা ও কলারোয়ার ইউএনও এবং খুলনা বিভাগীয় কমিশনার খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করেছেন। তারা নির্বাচনে একটি বিশেষ দলের হয়ে কাজ করেছেন। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাকেসহ কয়েকটি আসনে হারানো হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সাতক্ষীরা শহরের লেকভিউ কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, ‌‘বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তাই আগামী নির্বাচনগুলোতে উপজেলা হোক আর ইউনিয়ন হোক, সব নির্বাচনি যুদ্ধে আমাদের উত্তীর্ণ হতেই হবে। সে লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করতে হবে।’ সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, যুগ্ম আহ্বায়

খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করা হয়েছে: বিএনপি নেতা হাবিব

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, নির্বাচনকালীন সময়ের সাবেক ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, সাতক্ষীরার বর্তমান জেলা প্রশাসক, তালা ও কলারোয়ার ইউএনও এবং খুলনা বিভাগীয় কমিশনার খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করেছেন। তারা নির্বাচনে একটি বিশেষ দলের হয়ে কাজ করেছেন। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাকেসহ কয়েকটি আসনে হারানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সাতক্ষীরা শহরের লেকভিউ কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, ‌‘বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তাই আগামী নির্বাচনগুলোতে উপজেলা হোক আর ইউনিয়ন হোক, সব নির্বাচনি যুদ্ধে আমাদের উত্তীর্ণ হতেই হবে। সে লক্ষ্যে আমাদেরকে কাজ করতে হবে।’

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজকিন আহমেদ চিশতি, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম ফারুক প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনাসহ দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করা হয়।

আহসানুর রহমান রাজীব/এসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow