খুলে দেওয়া হয়েছে ময়মনসিংহ স্টেশনের প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার
ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনে টিকিট সিন্ডিকেট, যাত্রী হয়রানি, প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার দখল, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সংকট নিয়ে জাগো নিউজে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ‘টাকা ছাড়া খোলে না বিশ্রামাগারের তালা, ‘জিম্মি’ যাত্রীসেবা’ শিরোনামের প্রতিবেদনের পর যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্রামাগার উন্মুক্তকরণসহ বেশ কয়েকটি দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার এখন টিকিটধারী যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বিশ্রামাগারের বাইরে ও স্টেশনের বিভিন্ন দেয়ালে ‘প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত’ এবং কোনো আর্থিক লেনদেন করা সম্পূর্ণ নিষেধ উল্লেখ করে পোস্টার টানানো হয়েছে। এসময় বিশ্রামাগারে বেশকিছু যাত্রীকে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতেও দেখা যায়। স্টেশনের সামনে যানজট নিয়ন্ত্রণে দড়ি বেঁধে নির্দিষ্ট চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টেশন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং হকারদের অবাধ চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। নিয়মিত যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে টিকিট থাকার পরও বিশ্রামাগার ব্যবহার করতে পারিনি। এখন সেটি সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে
ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনে টিকিট সিন্ডিকেট, যাত্রী হয়রানি, প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার দখল, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সংকট নিয়ে জাগো নিউজে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ‘টাকা ছাড়া খোলে না বিশ্রামাগারের তালা, ‘জিম্মি’ যাত্রীসেবা’ শিরোনামের প্রতিবেদনের পর যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্রামাগার উন্মুক্তকরণসহ বেশ কয়েকটি দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার এখন টিকিটধারী যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বিশ্রামাগারের বাইরে ও স্টেশনের বিভিন্ন দেয়ালে ‘প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত’ এবং কোনো আর্থিক লেনদেন করা সম্পূর্ণ নিষেধ উল্লেখ করে পোস্টার টানানো হয়েছে। এসময় বিশ্রামাগারে বেশকিছু যাত্রীকে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতেও দেখা যায়। স্টেশনের সামনে যানজট নিয়ন্ত্রণে দড়ি বেঁধে নির্দিষ্ট চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টেশন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং হকারদের অবাধ চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে।
নিয়মিত যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে টিকিট থাকার পরও বিশ্রামাগার ব্যবহার করতে পারিনি। এখন সেটি সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে এই ব্যবস্থা যেন সাময়িক না হয়ে স্থায়ী হয়, সেটাই চাই।
যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর পরিবর্তন চোখে পড়ছে। আগে নানা অজুহাতে বিশ্রামাগারে ঢুকতে দেওয়া হতো না। এখন যাত্রীরা সুবিধা পাচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক এবিএম পিয়াস মৃধা বলেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন যে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে, এটি তার একটি ভালো উদাহরণ। তবে শুধু কয়েকটি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিলেই হবে না। টিকিট কালোবাজারি, দালালচক্র ও অন্যান্য অনিয়ম বন্ধে নিয়মিত মনিটরিং এবং কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে হবে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল্লাহ আল হারুন জাগো নিউজকে বলেন, প্রথম শ্রেণির বিশ্রামাগার যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। স্টেশনের সামনে দড়ি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। স্টেশনের পরিবেশ যাতে ঠিক থাকে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। কোনো যাত্রী যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও আমরা সতর্ক রয়েছি।
তবে স্থানীয়দের দাবি, দৃশ্যমান কিছু পরিবর্তন হলেও দীর্ঘদিনের অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ করতে ধারাবাহিক তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগের পরিস্থিতি আবার ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
হোসাইন সুলভ/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?
